পর্যটন স্পট

নং নাম যাতায়াত উক্ত স্থানে সহায়তার জন্য যোগাযোগ অবস্থান ছবি কার্যকলাপ
     
শ্রী শ্রী বিষ্ণুপদ ধাম

মৌলভীবাজার শহরের চাঁদনীঘাট এলাকা হতে সিএনজি অটোতে করে তারাপাশা, রাজনগর হয়ে সরাসরি বিষ্ণুপদ ধাম মন্দিরে পৌছা যাবে। 

সার্বক্ষণিক যোগাযোগের জন্য-০১৭৫৯০৩০৫৭১

তারাপাশা, রাজনগর, মৌলভীবাজার

দেখুন
জলের গ্রাম অন্তেহরি

সিএনজি চালিত অটোতে করে যেতে পারেন জলের গ্রাম অন্তেহরি কিংবা রিজার্ব গাড়ি নিয়েও যাওয়া যাবে অন্তেহরি গ্রামে ।

মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলায় ০১ নং ফতেপুর ইউনিয়ন পরিষদে অন্তেহরি গ্রাম অবস্থিত। মৌলভীবাজার জেলা শহর থেকে অন্তেহরি গ্রামের দূরত্ব প্রায় ১৪ কিলোমিটার। শহরের চাঁদনীঘাট ব্রিজ সংলগ্ন জগতপুর স্ট্যান্ড থেকে ৩০ টাকা ভাড়ায় সি এন জি চালিত অটোতে যেতে পারেন কিংবা রিজার্ব গাড়ি নিয়েও সোজা  চলে যেতে পারেন অন্তেহরি বাজারে। সেখান থেকে নৌকা ভাড়া করে ঘুরতে পারেন পুরো গ্রাম। 

দেখুন
নয়নাভিরাম হামহাম জলপ্রপাত

বাস, ট্রেন বা বিমান যেভাবেই যান না কেনো প্রথমে আপনাকে মৌলভীবাজার অথবা শ্রীমঙ্গল স্টেশনে নামতে হবে। সেখান থেকে যেতে হবে কমলগঞ্জ। যারা এ জায়গায় যেতে ইচ্ছা পোষণ করবেন তাদের কমলগঞ্জ অথবা শ্রীমঙ্গল শহর হতে যানবাহন ভাড়া করতে হবে ভোর ছয়টার মধ্যে। তাহলে চাম্পারার চা বাগানে কলাবনপাড়ায় পৌঁছতে পারেন সাড়ে সাত বা আটটার মধ্যে। কলাবনপাড়া হতে হামহাম জলপ্রপাতে যেতে-আসতে প্রায় ৫ ঘণ্টা সময় লেগে যায়। শ্রীমঙ্গল থেকে লাউয়াছড়া যাওয়ার জন্য সিএনজি ও জীপ রয়েছে। এছাড়া স্থানীয় ভানুগাছা বাসস্ট্যান্ড থেকে লাউয়াছড়া যাওয়ার লোকাল বাসও রয়েছে। লাউয়াছড়া বনের গাঁ ঘেঁষে আঁকা বাঁকা পাহাড়ি পথ, টিলা কাঠের গুড়ি দিয়ে বানানো সাঁকো দিয়ে ঘণ্টা খানেক হাঁটলেই আপনি পৌঁছে যাবেন কলাবানপাড়া। এছাড়াও কমলগঞ্জ পৌরসভার মোড় থেকে কলাবান পর্যন্ত দূর ২৪ কিলোমিটার। এই ২৪ কিলোমিটারের মধ্যে কুড়মা পর্যন্ত ১৪ কিলোমিটার পাকা রাস্তা এবং বাকিটা পথ কাঁচা। কলাবনপাড়া থেকে হাঁটার রাস্তা প্রায় ৮ কিলোমিটারের মতো পাহাড়ি পথ শেষে হামহাম ঝর্ণার দেখা মিলবে।

0

কমলগঞ্জ উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়ন

দেখুন
মাধবপুর লেইক

চা বাগানের মধ্যে অবস্থিত বলে এখানে আসার সরাসরি কোনো যোগাযোগ ব্যবস্থা নেই; সিলেট বা মৌলভীবাজার হয়ে এখানে আসতে হয়। মাধবপুর হ্রদে যেতে হলে প্রথমে ঢাকা থেকে সড়ক বা রেলপথে মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল হয়ে কমলগঞ্জে আসতে হবে; এরপর কমলগঞ্জের ভানুগাছ চৌমুহনী হয়ে চা বাগানের মধ্য দিয়ে মাধবপুর হ্রদে পৌঁছতে হবে।

মাধবপুর লেক মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।

দেখুন
হাকালুকি হাওড়

মৌলভীবাজার সদর থেকে ৬৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই হাওড়ে আসার জন্য আপনাকে প্রথমে মৌলভীবাজার জেলায় পৌছাতে হবে। মৌলভীবাজার থেকে বাসযোগে এখানে পৌছাতে পারেন। 

হাকালুকি হাওড় মূলত মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলায় অবস্থিত। ভারতের আসাম সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের পূর্ব অংশে অবস্থিত একটি জলাভূমি হল হাকালুকি হাওড়। এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম এবং এশিয়ার অন্যতম বৃহৎ জলাভূমি। পরিবেশগত গুরুত্বপূর্ণ এলাকা (ইসিএ) হিসেবে ঘোষিত এই হাওড়ের আশেপাশে প্রায় ১,৯০,০০০ মানুষ বসবাস করেন। জলাভুমির যথাযথ ব্যবহার এবং সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বের কারনে এই জলাভূমিটির সুরক্ষার ওপর আন্তর্জাতিকভাবে মনোনিবেশ করা হয়েছে। ১৮১.১৫ কিলোমিটার আয়তনের এই জলাভূমিটির প্রায় ৭২.৪৬ কিলোমিটার অর্থাৎ ৪০.০১% ভাগ বড়লেখা উপজেলায় অবস্থিত।

 

 
 
 

 

দেখুন
বাইক্কা বিল

ঢাকা থেকে ট্রেনে কিংবা বাসে শ্রীমঙ্গল আসা যাবে। শ্রীমঙ্গল থেকে নেমে সিএনজি, অটোরিক্সা কিংবা মাইক্রোবাস চড়ে বাইক্কা বিল ঘুরে আসা যায়।

চায়ের দেশ শ্রীমঙ্গল উপজেলায় বাইক্কা বিলের অবস্থান।

দেখুন
মাধবকুন্ড জলপ্রপাত

মৌলভীবাজার শহর হতে বড়লেখাগামী বাসযোগে বড়লেখা  পৌঁছার আগে কাঠালতলী নামক বাজারে নামতে হবে। সেখান থেকে সিএনজি অটোরিক্সা যোগে ০৮ কিলোমিটার পূর্বে মাধবকুন্ড  যাওয়া যায়।

মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজলোয় মাধবকুন্ড জলপ্রপাতটি বাংলাদেশের বৃহত্তম জলপ্রপাত। প্রায় ২০০ ফুট উঁচু টিলা হতে পাহাড়ি ঝর্নার পতিত জলরাশি পর্যটকের জন্য আকর্ষণীয়। এ জলপ্রপাতের নিকটেই খাসিয়া নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস। জলপ্রপাতের চতুর্দিকে বিশাল বনভূমি অবস্থিত। মাধবকুন্ড ইকোপার্কে প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ পর্যটকের সমাগম ঘটে। তাছাড়া এ মাধবকুন্ড জলপ্রপাত সংলগ্ন কুন্ডে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের চৈত্রমাসের মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথিতে বারুনী স্নান হয় এবং মেলা বসে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের এটি একটি তীর্থ স্থান।

মৌলভীবাজার জেলা শহর থেকে প্রায় ৭০ কিলোমিটার এবং কুলাউড়া রেলওয়ে জংশন থেকে প্রায় ৩২ কিলোমিটার দূরে বড়লেখা উপজেলার কাঁঠালতলী এলাকার পাথারিয়া পাহাড়ে অবস্থিত এই মায়াবী জলপ্রপাত। 

দেখুন
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান

দুরত্ব : মৌলভীবাজার জেলা শহর হতে ৩০ কিলোমিটার।

পর্যটন সুবিধা : বনবিভাগের একটি রেষ্ট হাউসসহ বিভিন্ন পাবলিক রেস্তোরা রয়েছে। এছাড়া রয়েছে পায়ে চলার ট্রেইল, ইকো-গাইড, তথ্য কেন্দ্র ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র : বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, সিলেট। সদর দপ্তর, মৌলভীবাজার।

 

অবস্থান : কমলগঞ্জ উপজেলা।

দেখুন
দেখছেন ১ থেকে ৮ পর্যন্ত, মোট ৮ এন্ট্রি

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন