কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬ এ ০১:৫৫ PM

প্রখ্যাত ব্যক্তিত্ব

কন্টেন্ট: পাতা

ধর্মপ্রচারক

হজরত শাহ মোস্তফা (রঃ)

জম্মঃ অজ্ঞাত৷

কর্মঃ হজরত শাহ জালাল(রঃ) এর অন্যতম সহযোগী৷ ৭০০ জন সহযোগী নিয়ে ধর্ম প্রচারের জন্য এদেশে আসেন৷ এখানেই বিয়ে করেন এবং বংশ বিস্তার করেন৷ ঘোড় সওয়ার চাবুক মার নামে পরিচিত৷ তাঁর নামে রাস্তার নামকরন করা হয়েছে৷

মৃত্যু: অজ্ঞাত৷ মৌলভীবাজার শহরে তাঁর মাজার রয়েছে৷

সাহিত্য ও সংস্কৃতি :

Description: সৈয়দ মুজতবা আলী, Author at জেগে আছি১। সৈয়দ মুজতবা আলী

জন্ম: ১৯০৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর সিলেটের করিমগঞ্জে।পৈতৃক ভিটা মৌলভীবাজারে।

কর্ম: বাংলা কথা সাহিত্যের প্রাণ পুরুষ৷ সিলেট বিভাগের প্রথম মুসলমান হিসাবে ১৯৪৯ সালে দিল্লী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নরসিংহ দাস পুরষ্কার ও ১৯৬১ সালে সুরেশ চন্দ্র স্মৃতি পুরষ্কার লাভ করেন৷ ২৯টি গ্রন্থের প্রণেতা৷ উল্লখযোগ্য হল দেশে বিদেশে (১৩৫৪), পঞ্চতন্ত্র (১৩৫৯), চাচা কোহিনী (১৩৫৯), ময়ুরকন্ঠী(১৩৫৯) ইত্যাদি৷ তিনি বহুভাষাবিদপন্ডিত ছিলেন৷

Description: সৈয়দ মুর্তাজা আলী - উইকিপিডিয়া

২। সৈয়দ মুর্তাজা আলী

জন্ম: ১৯০২ খ্রিস্টাব্দের ১ জুলাই করিমগঞ্জ শহরে।

কর্ম: ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দে আসাম প্রভিন্সিয়াল সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ঐ বছরই তিনি মৌলভীবাজার মহকুমার ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে যোগদান করেন।বাংলা একাডেমির সভাপতি এবং বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

৩। সৈয়দ মোহাম্মদ আলী

জন্ম: ১৯২৮ সালে মৌলভীবাজার মহকুমায়

কর্ম: দি ডেইলি স্টারের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক। সৈয়দ মুজতবা আলী ছিলেন তার চাচা।

সৈয়দ শাহনূর

জন্ম: ১৭৩০ সালে রাজনগর উপজেলার ঘড়গাঁও গ্রামে৷

কর্ম: মধ্যযুগের শ্রেষ্ট কবি। ১৮১৯ সালে “নূর নছিহত” নামক সুবৃহৎ পুথি রচনা করেন। পুথির পৃষ্ঠা সংখ্যা ৩০২, গানের সংখ্যা ১০৮, ধাঁধাঁর সংখ্যা ৪১।

অন্যান্য গ্রন্থ : রাগনূর, সাত কন্যার খান৷

কাজী মুহম্মদ আহমদ

জন্মঃ ১৮৩০ সালে মৌলভীবাজার জেলার ­ধউপাশা গ্রামে৷

কর্মঃ সিলেট বিভাগের প্রথম ইতিহাস লেখক৷ ১৮৮১ সালে জেলার কাজী নিযুক্ত হন৷ আঞ্জুমানে ইসলামিয়া স্থাপন করে এর সেক্রেটারীর দায়িত্ব পালন করেন৷ ১৮৮৫ সালে বাংলা ভাষায় সিলেটের গ্রন্থ শ্রীহট্ট দর্পন রচনা করেন৷

আশরাফ হোসেন-সাহিত্য রত্ন

জন্ম: ১৮৯৯ সালে কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর গ্রাম৷

কর্ম: সিলেট বিভাগের লোক সাহিত্যের পথিকৃত৷ তাঁর রচিত গ্রন্থ সিলহটের ইতিহাস, মনিপুরের লড়াই, শাহজালালের কিচ্ছা ইত্যাদি৷ তাঁর সংগৃহীত মরমী গানের মধ্যে রয়েছে শাহ হাজির আলির হাজিরতরান এবং সাধক কবি রাধারমনের রাধারমন সংগীত৷

দ্বিজেন শর্মা

জন্ম: ১৯২৯ সালের ৩০ মে বড়লেখা উপজেলার শিমলিয়া গ্রামে৷

কর্ম: ১৯৭৮ সালে বাংলা একাডেমী পুরষ্কার পান৷ আধুনিক গদ্যে দক্ষ ছিলেন৷ ব্রজমোহন ও নরটডেম কলেজে উদ্ভিদ বিজ্ঞানের অধ্যাপক ছিলেন৷ বহুগ্রন্থপ্রণেতা৷

রাজনীতি ও প্রশাসন :

সাবেক অর্থমন্ত্রী এম. সাইফুর রহমান

জন্ম: ৬ অক্টোবর ১৯৩২ সালে তৎকালীন মৌলভীবাজার মহকুমার সদর উপজেলার বাহারমর্দন গ্রামে

কর্ম: ১৯৮০ থেকে ১৯৮২ ও ১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ মেয়াদে তিনি বিশ্বব্যাংক, এডিবি, আইডিবি, আইএফএডিতে বাংলাদেশের গভর্নর ছিলেন। ১৯৭৮ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত তিনি প্রথমে জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভার বাণিজ্যমন্ত্রী ও পরে আবদুস সাত্তারের মন্ত্রিসভার অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯১ সাল থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত তিনি টেকনোক্র্যাট অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত খালেদা জিয়ার দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী ছিলেন।

এবাদুর রহমান চৌধুরী

জন্ম: ১৯৪৭ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি মৌলভীবাজারে

কর্ম: আইনজী‌বি ও রাজনীতিবিদ যিনি সংসদ সদস্য, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রী ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য।

মাওলানা আব্দুর রহমান সিংকাপনী

জন্ম: ১৮৭৮ সালে মৌলভীবাজার সিংকাপন গ্রামে৷

কর্ম: ১৯২০ সালে নাগপুর নিখিল ভারত কংগ্রেস খেলাফত সম্মেলনে প্রতিনিধি হিসাবে যোগদান করেন ১৯২১ সালে যোগী ডহর সম্মেলনে বিশেষ ভূমিকা ছিল সুলেখক ও বক্তা ছিলেন এবং বিভিন্ন ভাষার উপর দখল ছিল।

বিচারবিভাগ:

সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিন্‌হা

জন্ম: ১৯৫১ সালের ১ ফেব্রুয়ারী মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলাধীন তীলকপুর গ্রামে

কর্ম: বিচারপতি সিন্‌হা ২৪ অক্টোবর ১৯৯৯ সালে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক হিসেবে এবং ১৬ জুলাই ২০০৯ সালে সুপ্রিম কোর্টের আপীল বিভাগের বিচারক হিসেবে নিযুক্ত হন। তিনি ১২ জুন ২০১১ সালে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে এবং ১৭ জানুয়ারী ২০১৫ সালে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

প্রথম নারী বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা:

জন্ম: ৮ জুলাই, ১৯৫০ সালে মৌলভীবাজার জেলায়

কর্ম: জেলা জজ হিসেবে ৯ বছর কাজ করার পর তিনি ২০০০ সালের ২৮ মে বাংলাদেশ হাইকোর্টের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান এবং দুই বছর পর হাইকোর্টে স্থায়ীভাবে যোগদান করেন।হাইকোর্টে স্থায়ীভাবে যোগদানের ৯ বছর পর ২০১১ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রথম নারী বিচারপতি হিসেবে শপথ নেন।

অন্যান্য: বিচারপতি গীতেশ রঞ্জন ভট্টাচার্য্য, বিচারপতি সিকন্দর আলী

বিজ্ঞান ও সাংবাদিকতা

আতাউল করিম

জন্ম: ৪ মে ১৯৫৩ সালে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায়

কর্ম: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্রুততম ভাসমান ট্রেন চলাচল প্রযুক্তি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটসে অবস্থায়ী ডার্টমাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভোস্ট এবং নির্বাহী উপাচার্য।

জিনবিজ্ঞানী আবেদ চৌধুরী

জন্ম: ১৯৫৬ সালের ১লা ফেব্রুয়ারি মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের কানিহাটি গ্রামে

কর্ম: ধান গবেষক ও লেখক।তিনি পঞ্চব্রীহি ধানের আবিষ্কারক হিসেবে বিখ্যাত, যাতে ফলন শেষ হওয়ার পর ধানগাছ পুরোপুরি না কেটে ওই একই গাছে বিভিন্ন মৌসুমে আরও চারবার একই ধান উৎপাদন করা যায়।

গৌরী শংকর ভট্টাচার্য্য তর্কবাগীশ

জন্ম: ১৭৯৯ সালে রাজনগর উপজেলার পাঁচগাঁও গ্রামে৷

কর্ম: সিলেট বিভাগের প্রথম সাংবাদিক৷ গুড়গুড়ে হুক্কায় আসক্তির জন্য তাঁকে গুড়গুড়ে ভট্টাচার্য্য বলে ডাকাহত৷ ১৫ বছর বয়সে গৃহত্যাগ করেন বদ্বীপেযান এবং ন্যায়শাস্ত্র অধ্যয়ন করে তর্কবাগীশ উপাধি লাভ করেন৷ জ্ঞানান্বেষণ পত্রিকার মাধ্যমে ১৮৩১ সালে সাংবাদিকতা পেশায় আসেন৷ তিনি অল বেষ্ট নিউজ পেপার ইন কোলকাতা এর সম্পাদক ছিলেন৷ তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ সমূহ হল শিশুপাঠ নীতিকথা (১৮৩০), গীতার অনুবাদ প্রথম খন্ড (১৮৩৫), জ্ঞান প্রদীপ প্রথম খন্ড (১৮৪০) ইত্যাদি৷মৃত্যু: ১৮৫৯ সালের ৫ ফেব্রুয়ারী৷

বুদ্ধিজীবী ও মুক্তিযুদ্ধ সংগঠক :

শহীদ রামরঞ্জন ভট্টাচার্য :

জন্ম: ১৯০০ ইংরেজি সালে বৃহত্তর সিলেটের মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার নর্তনপুর গ্রামে

কর্ম: একজন খ্যাতিমান প্রবীণ আইনজীবী। ১৯৭১ সালের ২৬ মে স্থানীয় রাজাকারদের সহায়তায় পাকিস্তানী সেনারা তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করে।

আব্দুল মুন্তাকীম চৌধুরী

জন্ম: অজ্ঞাত৷ কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুরের অধিবাসী৷

কর্ম: ১৯৭০ সালে এম.এল.এ নির্বাচিত হন৷ মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক এই ব্যক্তিত্ব স্বাধীনতার পর জাপান ও জার্মানীতে রাষ্ট্রদুতের দায়িত্ব পালন করেন।

সমাজ সেবক ও শিক্ষাবিদ

দেওয়ান আব্দুল হামিদ চৌধুরী

জন্ম: ১৮৫০ সালে রাজনগর উপজেলার মনসুরনগর গ্রামে৷

কর্ম: সমাজ সেবার জন্য খান বাহাদুর খেতাব পান৷ রাজনগর পোর্টিয়াম স্কুলের জন্য জমিদান করেন৷ আসামের এমএলএ ছিলেন৷

আলহাজ্জ কেরামত আলী

পিতা: শফাত আলী

জন্ম: ১৯০১ সালে ভানুগাছে৷

কর্ম: ১৯৪৬ সালে যুক্তফ্রন্টের প্রার্থী হিসাবে এম.এল.এ পদে জয়লাভ করেন৷ ১৯৬৫ সালে জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন৷ মৌলভীবাজার কলেজের প্রতিষ্ঠালগ্নে ৭৫,০০০ টাকা এবং শ্রীমঙ্গল কলেজের প্রতিষ্ঠালগ্নে ২৫,০০০ টাকা দান করেন।

মৃত্যু: ১৯৬৯ সালের ০৩ জুন৷

আব্দুল খালিক চৌধুরী

জন্ম: ১৮৮৬ সালে কুলাউড়া উপজেলার বিজলী গ্রামে৷

কর্ম: সিলেট এমসি কলেজের প্রথম মুসলিম ছাত্র৷ ১৯২১-৩৬ পর্যন্ত আসাম প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য ছিলেন৷ মৌলভীবাজার লোকাল বোর্ড এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট সদস্য ছিলেন৷

মৃত্যু: ১৯৪৮৷

কাশীনাথ ঘোষ

জন্ম: রাজনগর উপজেলার থলা গ্রামে৷

কর্ম: তিনি কোর্টের মোক্তার ছিলেন৷ মৌলভীবাজার কাশীনাথ স্কুল তাঁর নামে প্রতিষ্ঠিত৷

গগন চন্দ্র সেনগুপ্ত

পিতা: অজ্ঞাত৷

জন্ম: মৌলভীবাজার জেলার বারহাল গ্রামে৷

কর্ম: বৃটিশ আমলে আসাম বেঙ্গলের ডিএসপি ছিলেন৷ মৌলভীবাজার হাসপাতালসহ বহুসামাজিক কাজে বিশেষ অবদান রাখেন৷

মৃত্যু: অজ্ঞাত

সৈয়দ কুদরত উল্লাহ

পিতা- সৈয়দ হূরমত উল্লাহ

জন্ম: মৌলভীবাজার জেলার গোবিন্দশ্রী গ্রামে ১৭৫০ সালে৷

কর্ম: মৌলভীবাজার জেলার প্রতিষ্ঠাতা৷ ১৭৯৩ সালে মুন্সেফ নিয়োজিত হন৷ মৌলভীবাজারের পশ্চিম বাজার তাঁর প্রতিষ্ঠিত৷

মৃত্যু: সাল নিয়ে দ্বিমত রয়েছে৷

আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ

জন্ম: মৌলভীবাজার সদর উপজেলার মমরোজপুরের অধিবাসী৷

কর্ম: জেলার স্কাউট আন্দোলনের বলিষ্ঠ সংগঠক৷ ১৯৬৩ সালে প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত রেফারী হিসাবে ক্রীড়া পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন৷ মৌলভীবাজার বিএমএ–র প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন৷ বাংলাদেশে বয় স্কাউটের লীডার ট্রেনার এর দায়িত্ব পালন করেন৷

ড. সুরেন্দ্র নাথ ধর

জন্ম: ১৮৯০ সালে মৌলভীবাজার জেলার বাউরভাগ গ্রামে৷

কর্ম: তিনি সিলেট বিভাগের প্রথম ডিএসপি ও প্রথম বৈজ্ঞানিক৷ ১৯১৫ সালে আসাম সরকারের গবেষণা বৃত্তি লাভ করেন৷ ১৯২০ সালে মাদ্রাজ কলেজে অধ্যাপনা নিয়ে গবেষণার কাজে নিয়োজিত হন৷

মৃত্যু: ১৯২৩ সালের ৯ ডিসেম্বর৷

অন্যান্য

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ছাত্রী লীলা নাগ

জন্ম: ১৯০০ সালের ২ অক্টোবর মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর উপজেলার পাঁচগাও গ্রামে।

কর্ম: উপমহাদেশে নারী জাগরণের পথিকৃৎ। ১৯৪৬ সালে তিনি বাংলা থেকে ভারতীয় গণপরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন এবং ভারতীয় শাসনতন্ত্রের খসড়া তৈরিতে অবদান রাখেন।

বিপ্লবী শ্রী শশাংক শেখর ঘোষ

জন্ম: বাংলা ১৩২১ সালের ২২ আশ্বিন রাজনগর উপজেলার খলাগাঁও গ্রামে৷

কর্ম: চা-শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ছিলেন৷ দেশ বিভাগের পূর্বে রেলওয়ে শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ছিলেন এবং সেক্রেটারী ছিলেন পশ্চিম বঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু৷ ১৯৪২ সালে ভারত ছাড় আন্দোলনের মাধ্যমে কংগ্রেসে যোগদেন ৷ কমিউনিষ্ট আন্দোলন ও বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম নেতা৷ সূর্য সেনের অন্যতম সহযোগী৷ তাঁর স্মরণে 'শশাংক শেখর ঘোষ স্মৃতি সংসদ, মৌলভীবাজার' নামীয় সমাজসেবামূলক একটি সংগঠন ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

কমরেড তারা মিয়া

জন্ম: ১৯৩২ সালে রাজনগর উপজেলার নয়াগাঁও গ্রামে৷

কর্ম: সিলেট জেলার অন্যত মকমিউনিষ্ট নেতা৷ ১৯৬৬ থেকে আমৃত্যু কৃষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন৷ ১৩৫৯-৬৩ পর্যন্ত কারাবরণ করেন৷ বৃটিশ আন্দোলন ও কাওয়াদিঘির হাওর আন্দোলন, গণভোট, ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৬ সালে পৃথিমপাশায় কৃষক বিদ্রোহে সিলেট অঞ্চলের নেতৃত্ব দেন মুক্তিযুদ্ধে দেশের ভিতর থেকে অংশগ্রহণ করেন।

লীলা দত্ত

জন্মঃ শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভূনবীর গ্রামে ১৯২৮ সালে৷

কর্মঃ ১৯৪২ সালে ভারত ছাড় আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়েন৷ ১৯৪৩ সালে পুলিশের হাতে ধরা পড়েন৷ ভারতীয় সি.পি. এম দলের সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন৷ কোলকাতা বেহালা বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ছিলেন৷

মৃত্যুঃ ১৯৮৫ সালের ৬ আগষ্ট৷

কারুশিল্পী শ্রী জনার্দন

জন্ম: ১৫৭৫ সালে রাজনগর উপজেলার পাঁচগাঁও গ্রামে৷

কর্ম: উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠ কর্মকার৷ ১৬৩৭ সালে মুর্শিদাবাদের নবাবের জন্য জাহান কোষ নামে একটি তোপ তৈরি করেন৷ সপ্তদশ শতকে বিবি মরিয়ম ও কালে জমজম নামে দুটি কামান ঢাকা গিয়ে তৈরি করেন৷ বর্তমানে ওসমানী উদ্যানের সামনে ঐতিহাসিক কামান কালে জমজম শোভা পাচ্ছে৷

উদ্যোক্তা শ্রী সারদাচরন শ্যাম

জন্ম: রাজনগর উপজেলার উত্তর ভাগ গ্রামে ১৮৬২ সালের ২৫ মার্চ৷

কর্ম: সিলেট বিভাগের চা-শিল্পের কর্ণধার৷ চাকর ও প্রথিতযশা আইনজীবি হিসাবে পরিচিত ছিলেন৷ পর্বতপুর ও উত্তরভাগ চা-বাগানের প্রতিষ্ঠাতা৷

ক্রিকেটার এবাদত হোসেন

জন্ম: ৭ জানুয়ারি ১৯৯৪ সালে মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলায়

কর্ম: বাংলাদেশি ক্রিকেটার ও বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একজন সক্রিয় সৈনিক।

রোশনারা মনি

জন্ম: ১৯৭৪ সালে মৌলভীবাজার জেলায়

কর্ম: বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত একজন ব্রিটিশ অভিনেত্রী এবং গায়িকা।

তথ্যসূত্র :

১) মৌলভীবাজার জেলা ইতিহাস-মো: মুমিনুল হক

২) মৌলভীবাজার জেলা ইতিহাস ও ঐতিহ্য -রব্বানী চৌধুরী

৩) শিলহটের ইতিহাস-মোহাম্মদ আশরাফ হোসেন

৪) শ্রীহট্টের ইতিবৃত্ত (পূর্বাংশ)-অচ্যুতচরণ চৌধুরী তত্ত্বনিধি

৫) বাংলাপিডিয়া - বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন