কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ এ ০৭:০২ PM
কন্টেন্ট: পাতা


| স্থানের নাম | মাধবকুন্ড জলপ্রপাত |
| এক বাক্যে পরিচিতি | প্রায় ২০০ ফুট উচু টিলা হতে পাহাড়ের বুক গড়িয়ে পড়া জলের ধারা। |
| সংক্ষিপ্ত বর্ণনা | মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজলোয় মাধবকুন্ড জলপ্রপাতটি বাংলাদেশের বৃহত্তম জলপ্রপাত। প্রায় ২০০ ফুট উঁচু টিলা হতে পাহাড়ি ঝর্নার পতিত জলরাশি পর্যটকের জন্য নয়নাভিরাম। জলাধারের উৎস উঁচু পাহাড়ের ঝর্ণাধারা আর রাশি রাশি জল। সে এক অপূর্ব দৃশ্য। পর্যটকদের ভিন্ন এক ভালো লাগায় মুগ্ধ করে রাখে। জলপ্রপাত ও আশেপাশের সৌন্দর্য উপভোগ করতে রয়েছে ‘ওয়াচ টাওয়ার’। জলপ্রপাতের নিকটেই খাসিয়া নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস। জলপ্রপাতের চতুর্দিকে বিশাল বনভূমি অবস্থিত। মাধবকুন্ড ইকোপার্কে প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ পর্যটকের সমাগম ঘটে। তাছাড়া, এ মাধবকুন্ড জলপ্রপাত সংলগ্ন কুন্ডে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের চৈত্রমাসের মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথিতে বারুনী স্নান হয় এবং মেলা বসে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের এটি একটি তীর্থ স্থান। |
| দূরত্ব | ঢাকা থেকে প্রায় ২৬৪ কি.মি.. জেলা সদর থেকে প্রায় ৬৪ কি.মি.. শ্রীমঙ্গল থেকে প্রায় ৮৪ কি.মি.. উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১২ কি.মি.. যোগাযোগ মাধ্যম- ট্রেন, বাস, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল, সিএনজি, অটোরিক্সা। |
| কিভাবে যাবেন | কুলাউড়া রেলওয়ে স্টেশন হতে বড়লেখাগামী সিএনজি/ঢাকা হতে বিয়ানীবাজারগামী বাস/মৌলভীবাজার হতে বড়লেখাগামী বাস যোগে বড়লেখা পৌছার আগে কাঠালতলী নামক বাজারে নামতে হবে। সেখান থেকে সিএনজি অটোরিক্সা যোগে প্রায় ০৮ কিলোমিটার পূর্বে মাধবকুন্ড যাওয়া যায়। |
| পার্শ্ববর্তী দর্শনীয় স্থান | আগর-আতর বাগান ও অন্যান্য |
| পার্শ্ববর্তী রেস্টুরেন্ট | ১। ইয়াম্মী প্যারাডাইস চাইনিজ রেস্টুরেন্ট ২। জিম্মি রেস্টুরেন্ট ৩। সেফরন, বড়লেখা ৪। ডিভ্যান রেস্টুরেন্ট ও অন্যান্য |
| পার্শ্ববর্তী হোটেল | সোনার বাংলা হোটেল, হোটেল মুসাইদ, আল আমিন বেডিং ও অন্যান্য |
| ঝুঁকিসমূহ | জলপ্রপাতের নির্ধারিত এলাকা ব্যতিত ঝুকিপূর্ণ জায়গায় নামা বিপদজনক হতে পারে। |
| ম্যাপ (জিপিএস লোকেশন) | |
| পরামর্শ | জলপ্রপাতের নির্ধারিত এলাকার বাইরে না নামা এবং গোসল কিংবা সাঁতার না কাটা। |