মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

জেলা ব্র্যান্ডিং মৌলভীবাজার

জেলা ব্র্যান্ডিং-মৌলভীবাজার
কর্ম পরিকল্পনা 
জেলা প্রশাসন, মৌলভীবাজার
জেলা ব্র্যান্ডিং মৌলভীবাজার এর কর্ম-পরিকল্পনা

চায়ের দেশ-মৌলভীবাজার

১. ভূমিকা

অমিত সম্ভাবনার দেশ বাংলাদেশ। এদেশে বিরাজমান প্রাকৃতিক ও মানব সম্পদকে যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে দেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধশালী দেশের কাতারে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব। এজন্য প্রয়োজন অঞ্চলভিত্তিক সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রসমূহ চিহ্নিতকরণ এবং কেন্দ্রমুখী দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বেরিয়ে এসে অঞ্চলভিত্তিক অবকাঠামো উন্নয়নে উদ্যোগ গ্রহণ। বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলই ভৌগলিক বৈশিষ্ট্য, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের দিক দিয়ে স্বকীয় বা অনন্য। অন্যান্য জেলার মত মৌলভীবাজার জেলাও রয়েছে কিছু স্বতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য । মৌলভীবাজার জেলার অন্যান্য ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে বিবেচনায় নিয়ে কার্যকর ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে জেলাটিকে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। পরিকল্পিত উদ্যোগ, সফল বিনিয়োগের মাধ্যমে জেলা ব্র্যান্ডিং কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারলে তা জেলাটির পরিচিতি বৃদ্ধির পাশাপাশি অধিকতর কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ভূমিকা পালন করতে পারবে। এর ফলে রাজস্ব অর্জনের সম্ভাবনাময় উৎস সৃষ্টির পাশাপাশি স্থানীয় ও জাতীয় অর্থনীতিতে যুক্ত হবে নতুন এক মাত্রা।

. জেলা-ব্র্যান্ডিংয়ের উদ্দেশ্য

মৌলভীবাজার জেলার চলমান উদ্যোগ এবং সম্ভাবনাসমূহকে বিকশিত করার মাধ্যমে জেলার সার্বিক উন্নয়ন ঘটানো এবং দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পরিসরে জেলাকে তুলে ধরা জেলা ব্র্যান্ডিংয়ের মূল উদ্দেশ্য। ব্র্যান্ডিং মৌলভীবাজার জেলাকে একটি সুনির্দিষ্ট রূপকল্প দেবে যা গৃহীত কর্মপরিকল্পনার সুসংগঠিত বাস্তবায়নে সাহায্য করবে। এরই মাধ্যমে জেলা ব্র্যান্ডিং মৌলভীবাজার জেলাকে একটি গন্তব্যে পৌঁছাতে সাহায্য করবে। জেলা-ব্র্যান্ডিংয়ের অন্যান্য উদ্দেশ্যসমূহ হলো:

  • ভিশন-২০২১ ও  ২০৪১ অর্জনে জেলার সার্বিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে বেগবান করা ;
  • জেলার ইতিবাচক ভাবমূর্তি বিনির্মাণের মাধ্যমে দেশকে আন্তর্জাতিক বিশ্বে পরিচিত করে তোলা ;
  • জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির লালন ও বিকাশ সাধনসহ স্থানীয় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নিজস্ব সংস্কৃতিকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিচিত করে তোলা ;
  • জেলা ব্র্যান্ডিং এর মাধ্যমে এ জেলা তথা বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে উপস্থাপন করা ;
  • স্থানীয় উদ্যোক্তা তৈরি করা ;
  • জেলার সর্বস্তরের জনসাধারণকে উন্নয়নের মহাসড়কের সহিত সম্পৃক্ত করা ;
  • জেলার দারিদ্র্যতা ও বেকারত্ব দুর করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা ;
  • পর্যটন শিল্পের বিকাশ সাধনের মাধ্যমে দেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন তরান্বিত করা বিশেষ করে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নিজস্ব সংস্কৃতি,  প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যমন্ডিত দর্শনীয় স্থানের উন্নয়ন।

৩. জেলা-ব্র্যান্ডিংয়ের বিষয়

পর্যটনকে কেন্দ্র করে ইতিহাস ও ঐতিহ্য এবং চা বাগানকে সম্পৃক্ত করে জেলা-ব্র্যান্ডিংয়ের বিষয় নির্বাচন করা হয়েছে ।

.  পর্যটন কে ব্র্যান্ডিংয়ের বিষয় হিসেবে নির্বাচনের যৌক্তিকতা

বাংলাদেশের ৭টা টি ভ্যালীর মধ্যে সিলেট বিভাগে রয়েছে ৬টি ভ্যালী। এই ৬টি ভ্যালীতে মোট চা বাগানের সংখ্যা ১৩৮টি। তার মধ্যে মৌলভীবাজার জলোয় রয়েছে ৯২ টি চা বাগান। যার কারণে মৌলভীবাজারকে চায়ের রাজধানীও বলা হয়। সবুজ শ্যামলে মাখা দেশের সবচেয়ে বেশী  চা বাগানের নান্দনিক সৌন্দর্য মৌলভীবাজারকে পরিচিতি এনে দিয়েছে প্রকৃতি কন্যা হিসেবে। চা বাগানরে নর্সৈগকি সৌর্ন্দয্য, চায়রে গাছ থকেে পাতা উত্তোলন থকেে প্রক্রয়িাজাতকরণ এবং চা বাগানে বসবাসরত চা শ্রমকি হসিবেে নয়িোজতি বভিন্নি নৃ-গোষ্ঠীর জীবনধারা ও সংস্কৃতি র্পযটকদরে কাছে আর্কষনীয়। চা কে জলো ব্র্যান্ড করা হলে নম্নিোক্ত ক্ষত্রেে তা গুরুত্বর্পূণ ভূমকিা পালন করবে :

  • পর্যটন শিল্পের বিকাশের মাধ্যমে মৌলভীবাজার জেলার সর্বস্তরের জনগণের জীবনমান উন্নত হবে ;
  • বিপুল সংখ্যক স্থানীয় উদ্যোক্তা তৈরীর মাধ্যমে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে ;
  • পর্যটন  শিল্পকে কেন্দ্র করে অবকাঠামো ও ব্যবসা বাণিজ্য উন্নয়নের গতি তরান্বিত হবে ;
  • জাতীয় প্রবৃদ্ধিতে প্রান্তিক পর্যায়ের অবদান বৃদ্ধি পাবে ।

. মৌলভীবাজার জেলার পর্যটক আকর্ষণসমূহ

মৌলভীবাজার জেলার পর্যটক আকর্ষনসমূহের সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিম্নে দেয়া হলো:

ক) চা বাগান :

পর্যটন স্থান ও ফটো

স্থান ও ফটোর বিবরণ

চা বাগান

চা বাগানঃ

মৌলভীবাজার জলোয় রয়ছেে বচৈত্র্যিময় পরবিশে, চা বাগান সমূহরে দৃষ্টি নন্দন দৃশ্য, অভ্যন্তরীণ উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা। প্রকৃতকি অপার সৌর্ন্দয সমাহারে এ জলোটি অন্যান্য জলোর তুলনায় অনকেটাই ভন্নি। দশেরে ১৬৩টি চা বাগানরে মধ্যে মৌলভীবাজার জলোয় রয়েছে ৯২টি চা বাগান। যার কারনে মৌলভীবাজারকে চায়ের রাজধানীও বলা হয়।

খ) বাইক্কা বিলঃ

বাইক্কা বিল

বাইক্কা বিলঃ

শ্রীমঙ্গলে অবস্থতি বাইক্কা বিল হাইল হাওরের প্রাণ। সেখানে গড়ে তোলা হয়েছে পাখি ও মাছের অভয়াশ্রম। এক সময় শুধু শীত কালে এখানে অতিথি পাখি আসতো কিন্তু বিগত কয়েক বছর ধরে বাইক্কা বিল পাখির স্থায়ী অভয়াশ্রমে পরিনত হয়েছে। বার মাসই সেখানে পাখি দেখা য়ায়। শুধু পাখি নয় এখানে রয়েছে বড় বড় দেশীয় প্রজাতির মাছ তাও সম্ভব হয়েছে এখানে মাছের স্থায়ী আভয়াশ্রম গড়ে তোলায়। সেখানে পাখি দেখার জন্য নির্মিত হয়েছে একটি র্পযটন টাওয়ার। এটি বর্তমানে বাংলাদেশের একমাত্র পর্যটন টাওয়ার। টাওয়ারটি ৩ তলা বিশিষ্ট। প্রত্যেক তলাতেই রয়েছে ১টি করে শক্তিশালী বাইনোকোলার।

গ) বিটিআরআই রেস্ট হাউজঃ

বিটিআরআই রেস্ট হাউজঃ

বিটিআরআই রেস্ট হাউজঃ

বাংলাদেশের চা গবেষণা কেন্দ্রটি পড়েছে শ্রীমঙ্গলের মূল শহর থেকে মাত্র ২ কি.মি. দূরে। কিন্তু ইহা শ্রীমঙ্গল পৌরসভার অর্ন্তভূক্ত। সংস্থাটিকে সংক্ষেপে সবাই বিটিআরআই বলে জানেন। বিটিআরআই ক্যাম্পাসেই রয়েছে বাংলাদেশ চা বোর্ডের প্রকল্প উন্নয়ন অফিস। অফিস গেটে রিকশা থেকে নামা মাত্রই চোখে পড়বে হরেক রকম ফুলের সমাহারে ভরা ২টি ফুল বাগান, একটি বিটিআরআই এর অপরটি চা বোর্ডের। গেটের ভতের দখো যাবে ৫০/৬০ বছরের পুরোনো চা গাছ। চা ম্যানুফকচারিংসহ টি টেস্টিং ল্যাব, গবেষণা ফ্যাক্টরিসহ এখানে ভেষজ উদ্ভিদের বাগান রয়েছে। 

ঘ) মাধবপুর লেইক :

মাধবপুর লেইকঃ

মাধবপুর লেইকঃ

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের মাধবপুর চা বাগানে লেকটির অবস্থান। এটি শ্রীমঙ্গল থেকে ১৫ কিঃমিঃ পুর্বে  অবস্থিত। মাধবপুর লেকের ঝলমল পানি, ছায়া সুনিবিড় পরিবেশ, শাপলা শালুকের উপস্থিতি মনোমগ্ধকর করে তুলে। এ লেকে নিচে রয়েছে হাজার হজার জীবন্ত গাছ। শত বছর আগে পাহাড়ী পানি জমে এর সৃষ্টি। ব্রিিটশ আমলে ইংরেজরা সেখানে বাঁধ দয়িে পানি আটকায় এবং সে পানিতে তারা স্পীড বোট ও নৌকা চড়তো । শত বছর আগেই ব্রিিটশরা এ স্থানে বিনোদনের খোড়াক মেটাতো। ১৯৬৭ এবং ১৯৬৯ সালে এ লেকের বাঁধ ভেঙ্গে সব পানি চলে গিয়েছিল। পরর্বতীতে পাঞ্জাবী এক বাগান ব্যাবস্থাপক পাথর এনে শক্ত করে  এখানে বাঁধ দেন এর পর থেকে আর বাঁধ ভাঙ্গনে।ি এখানে রয়েছে ১০/১২ কেজি ওজনের বড় বড় মাছ। শ্রীমঙ্গল পরিবেশবিদ সিতেশ রঞ্জন দেব ব্যাক্তি উদ্যোগে এ লেকে হাজার হাজার মাছের পোনা অবমুক্ত করেছেন।

ঙ) লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানঃ

 

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান 

 

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানঃ

শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত প্রায় ১ হাজার ২০০ হেক্টর এলাকাজুড়ে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ভেতর আড়াই হাজারেরও অধিক প্রজাতির প্রাণী রয়েছে। যার মধ্যে একাধিক প্রাণীর  দেশের অনান্য বনে প্রায় বিলুপ্ত। এছাড়াও ১০ প্রজাতির সরিসৃপ, বাঘ, ভাল্লুক, হরিণ, বানর, সিভিট কেটসহ অর্ধশত প্রজাতির জীবজন্তু রয়েছে। এর ভিতরে রয়েছে কয়েকটি খাসিয়া পুঞ্জি, পার্কের পাহাড় বস্তিৃত লম্বা বৃক্ষে খাসিয়ারা খাসিয়া পানের চাষ করে। পার্কের এক পাশে রয়েছে আনারসের বাগান, এক পাশে চায়ের বাগান আবার কোথাও রয়েছে লেবুর বাগান। জঙ্গলের ভিতর রয়েছে কয়েকটি পাহাড়ি ছড়া। পুরো ন্যাশনাল পার্কটি শ্রীমঙ্গল ভানুগাছ পাকা মহাসড়ক ও সিলেট আখাউড়া রেলওয়ে সেকশনের রেললাইন দ্বারা ৩ খন্ডে বিভক্ত। কিন্তু রেললাইন ও পাকা সড়ক দ্বারা বিভক্ত হলে ও উদ্যানরে ভিতর তেমন কোনো বাড়ি-ঘর নেই।

চ) বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান স্মৃতিসৌধ :

বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান স্মৃতিসৌধ

বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমান স্মৃতিসৌধ :

বীরশ্রেষ্ট সিপাহী হামিদুর রহমান মাতৃভূমির স্বাধীনতা যুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং বিভিন্ন অপারেশনে পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেন। ১৯৭১ সনের অক্টোবর মাসের শেষদিকে মৌলভীবাজার জেলাস্থ কমলগঞ্জ উপজেলার চা বাগান বিস্তৃত ধলই সীমান্তে বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করে উক্ত সীমান্ত চৌকি ও সংলগ্ন এলাকা মুক্ত করেন এবং সেখানেই শত্রু সেনার বুলেট বিদ্ধ হয়ে শহীদ হন। মুক্ত স্বাধীন বাংলাদেশে এই বীর সেনানীর অবদানের স্বীকৃতি সরূপ বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমানকে প্রতিবেশী ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের কমলপুর জেলাধীন আমবাসা গ্রামে সমাধিস্থ করা হয়েছিল। সম্প্রতি তাঁর দেহাবশেষ দেশে ফিরিয়ে এনে ঢাকাস্থ শহীদ বুদ্ধিজীবি কবরস্থানে যথাযোগ্য রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত করা হয়েছে।

ছ) হাম হাম জলপ্রপাতঃ

হাম হাম  RjcÖcvZ

হাম হাম জলপ্রপাতঃ

হাম হাম কিংবা হামহাম বা চিতা ঝর্ণা, বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার রাজকান্দি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের গভীরে কুরমা বন বিট এলাকায় অবস্থিত একটি প্রাকৃতিক জলপ্রপাত বা ঝরণা। জলপ্রপাতটি ২০১০ খ্রিস্টাব্দের শেষাংশে পর্যটন গাইড শ্যামল দেববর্মার সাথে দুর্গম জঙ্গলে ঘোরা একদল পর্যটক আবিষ্কার করেন। দুর্গম গভীর জঙ্গলে এই ঝরণাটি ১৩৫, মতান্তরে ১৪৭ কিংবা ১৬০ ফুট উঁচু, যেখানে বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু ঝরণা হিসেবে সরকারিভাবে স্বীকৃত মাধবকুণ্ড জলপ্রপাতের উচ্চতা [১২ অক্টোবর ১৯৯৯-এর হিসাব অনুযায়ী] ১৬২ ফুট। তবে ঝরণার উচ্চতা বিষয়ে  কোনো প্রতিষ্ঠিত কিংবা পরীক্ষিত মত নেই। সবই পর্যটকদের অনুমান। তবে গবেষকরা মত প্রকাশ করেন যে, এর ব্যাপ্তি, মাধবকুণ্ডের ব্যাপ্তির প্রায় তিনগুণ বড়।  

জ)  মনিপুরী পল্লী ও মনিপুরী ললিতকলাঃ

 

মণিপুরী পল্লী ও মনিপুরী ললিতকলা 

মনিপুরী পল্লী ও মনিপুরী ললিতকলাঃ

ডঃ সুনীতি কুমার চট্রোপাধ্যায়ের ভাষায় ‍“মনিপুরী জাতি বিরাট কিরাতজাতির ব্রক্ষশাখার অন্তর্গত কুকি(বা চিন অথবা কুকিচিন) প্রশাখার একটি বিশিষ্ট উপজাতি”। টিবেটোবার্মিজ শাখার মংগোলীয়ান জনগোষ্ঠীভুক্ত এই সম্প্রদায় বিষ্ণুপ্রিয়া, মীতৈ ও পাঙ্গাল এই তিনটি ভাগে বিভক্ত। মনিপুরী জনগোষ্ঠীর জীবনধারা,হস্তশিল্প এবং মনিপুরী ললিতকলা পর্যটকদের কাছে আকর্ষনীয়।মণিপুরী উপজাতি সম্প্রদায় বেশিরভাগ জনগোষ্ঠী কমলগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামসহ এ জেলার অন্যান্য উপজেলায় এদের বসবাস। মনিপুরী ললিতকলা একাডেমী কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামে অবস্থিত। প্রতিষ্ঠানটি মনিপুরীদের সংস্কৃতি বিকাশে অবদান রেখে যাচ্ছে।

ঝ) হাকালুকি হাওড়ঃ

হাকালুকি হাওড়

হাকালুকি হাওড়ঃ

মৌলভীবাজার জেলা শহর থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার উত্তর পশ্চিমে হাকালুকি হাওড় অবস্থিত। পূর্বে পাথারিয়া পাহাড় এবং পশ্চিমে ভাটেরা পাহাড়ের মধ্যবর্তী স্থানে বিশাল নম্নিাঞ্চল জুড়ে হাকালুকি হাওড় অবস্থিত। এ বিশাল জলরাশির মূল প্রবাহ হলো দুটো প্রধান নদী জুড়ি ও ফানাই, বর্ষাকালে ভারি বৃষ্টিপাতের ফলে হাওড় সংলগ্ন সমগ্র এলাকা প্লাবতি হয়ে সাগরের রূপ ধারণ করে।

হাকালুকি হাওড়ে ৮০ থেকে ৯০টি ছোট বড় মাঝারী বিল রয়েছে। হাওড়রে স্থায়ী জলাশয়গুলো পানিতে নিমজ্জিত, ভাসমান, জলজ, তৃণ এবং র্দূবাঘাস এবং নল খাগড়া জাতীয় উদ্ভিদ দেখতে পাওয়া যায়। শীতকালে মৎস্য আহরণ এবং অতিথি পাখেিদর আগমন পর্যটকদের নয়নমন সার্থক করে। উক্ত হাওড়কে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষনা করে ইতোমধ্যেই পরিবেশ অধিদপ্তরের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন অব্যাহত আছে।

ঞ) মনু ব্যারেজ :

মনু ব্যারেজ

মনু ব্যারেজঃ

মৌলভীবাজার জলোর সদর উপজলোর শমসেরনগর সড়কের মাতারকাপন এলাকায় অবস্থিত। মনু নদীর উপর একটি ব্যরেজ আছে। তাছাড়া এখানে মনু নদীর পুরাতন অংশে অত্যন্ত মনোরম একটি লেক রয়েছে। বর্ণিত স্থানের প্রাকৃতিক দৃশ্যাবলী  অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর। এই সৌন্দর্য উপভোগের জন্য এখানে প্রতিদিন প্রচুর লোকের সমাগম ঘটে।

 

ট) gvaeKzÛ RjcÖcvতঃ

মাধবকুন্ড জলপ্রপাত

মাধবকুন্ড জলপ্রপাতঃ

মৌলভীবাজার জলোর বড়লখো উপজলোয় মাধবকুন্ড জলপ্রপাতটি বাংলাদেশের বৃহত্তম জলপ্রপাত। প্রায় ২০০ ফুট উঁচু টিলা হতে পাহাড়ি ঝর্নার পতিত জলরাশি পর্যটকের জন্য আকর্ষণীয়। এ জলপ্রপাতের নিকটেই খাসিয়া নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস। জলপ্রপাতের চতুর্দিকে বিশাল বনভূমি অবস্থিত। মাধবকুন্ড ইকোপার্কে প্রতিবছর লক্ষ লক্ষ পর্যটকের সমাগম ঘটে। তাছাড়া এ মাধবকুন্ড জলপ্রপাত সংলগ্ন কুন্ডে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের চৈত্রমাসের মধুকৃষ্ণা ত্রয়োদশী তিথিতে বারুনী স্নান হয় এবং মেলা বসে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের এটি একটি তীর্থ স্থান।

ঠ) আগর শিল্প :

আগর শিল্প :

আগর শিল্প :

আগর-আতর বাংলাদেশ তথা পৃথিবীর অন্যতম একটি প্রাকৃতিক সুগন্ধি পণ্য। জানা যায়, মুঘল আমলে এ পণ্য অধিক পরিমাণে ব্যবহৃত হতো। বর্তমানেও দেশে-বিদেশে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। জানা যায়, বর্তমান আগর-আতর চাষীরা তাদের ১০-২০ পূর্ব পূরুষ আগে থেকে এ শিল্পের সাথে জড়িত। এ আগর-আতর শিল্প বর্তমানে বড়লেখা উপজেলার সুজানগরে অবস্থিত। সরকারের এক জেলা এক পণ্য হিসেবে মৌলভীবাজার জেলায় আগর-আতর শিল্পকে বেছে নেয়া হয়েছে। এখানে রয়েছে প্রায় ২০০টির মতো ছোট-বড় কারখানা। এখানকার উৎপাদিত আগর-আতর শতভাগ বিদেশে রপ্তানী হয় এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়। আতর শিল্পের নান্দনিক প্রক্রিয়া অবলোকনে প্রতিনিয়ত দেশি-বিদেশী পর্যটকের আগমন ঘটে। সম্ভাবনাময় এ সুগন্ধি শিল্প বিকশিত হলে, সরকার প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারবে এবং সর্বোপরি বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশ স্থান করে নিতে পারবে

 

ড) হযরত সৈয়দ শাহ মোস্তফা (রঃ) এর মাজারঃ

হযরত সৈয়দ শাহ মোস্তফা (রঃ) এর মাজারঃ

হযরত সৈয়দ শাহ মোস্তফা (রঃ) এর মাজারঃ

মৌলভীবাজার শহররে সয়ৈদ শাহ মোস্তফা রোডরে র্পাশ্বে হযরত সৈয়দ শাহ মোস্তফা (রঃ) এর মাজার অবস্থতি।মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরাক থেকে আগত হযরত সৈয়দ শাহ মোস্তফা (রঃ) এখানে ইসলাম প্রচারের জন্য আসেন। তিনি হযরত শাহ জালাল (রঃ) এঁর ৩৬০ আউলিয়ার মধ্যে অন্যতম। জনশ্রুতি আছে তিনি বাঘের পিঠে করে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করতেন। তাঁর ইন্তেকালের পর এখানেই তাঁকে কবর দেয়া হয় এবং মাজার প্রতিষ্ঠা করা হয়। প্রায় ৪০০ বছর যাবৎ এখানে বাৎসরিক ওরস মোবারক পালিত হয়ে আসছে। তাছাড়া প্রতিদিন শত শত মানুষ এখানে আসা যাওয়া করে।

ঢ) গ্রান্ড সুলতান টি রিসোর্ট এন্ড গলফ :

MÖvÛ myjZvb

গ্রান্ড সুলতান টি রিসোর্ট এন্ড গলফ

মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলায় পাঁচ তারকা মানের ‘গ্রান্ড সুলতান টি রিসোর্ট এন্ড গল্ফ’ নামের একটি হোটেল রয়েছে। উক্ত প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে আন্তর্জাতিক মানের অতিথি সেবা প্রদান করে আসছে এবং এতে বিপুল পরিমাণ পর্যটকের সমাগম ঘটে। ইতোমধ্যে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সম্মেলন, এডিবি সম্মেলন, বিশ্ব  ব্যাংক সম্মেলন ছাড়াও বিভিন্ন দেশী-বিদেশী বহুজাতিক কোম্পানীর বিভিন্ন সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

ণ) ‘দুসাই রিসোর্ট এন্ড স্পা’ :

দুসাই রিসোর্ট এন্ড স্পা

‘দুসাই রিসোর্ট এন্ড স্পা’  :

মৌলভীবাজার জেলার সদর উপজেলায় চার তারকা মানের আরও একটি হোটেল রয়েছে। যার নাম হচ্ছে ‘দুসাই রিসোর্ট এন্ড স্পা’। উক্ত প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে আন্তর্জাতিক মানের অতিথি সেবা প্রদান করছে। ইতোমধ্যে  বিভিন্ন দেশী-বিদেশী বহুজাতিক কোম্পানীর বিভিন্ন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ত) পৃথিমপাশা নবাব বাড়ী:

 

পৃথিমপাশা নবাব বাড়ী

পৃথিমপাশা নবাব বাড়ী

প্রায় দুইশ’ বছরের ইতিহাস ও ঐতিহ্য নিয়ে টিকে আছে কুলাউড়ার পৃথিমপাশা জমিদার বাড়ি (নবাব বাড়ি)। মৌলভীবাজার জেলা সদর থেকে প্রায় ৪৭ কিলোমিটার পূর্বে এই জমিদার বাড়ির অবস্থান। জমিদার বাড়ির কারুকার্যময় আসবাবপত্র, মসজিদের ফুলেল নকশা, ইমামবাড়া, সুবিশাল দীঘি যে কাউকে আকৃষ্ট করতে যথেষ্ট। প্রায় ২৫ একর জমির ওপর অবস্থিত এই জমিদার বাড়ির সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হচ্ছে এখানকার ইমামবাড়া। জানা যায়, শ্রীহট্ট (সিলেট) সদরে মোহাম্মদ আলী নামে এক কাজি ছিলেন। ১৭৯২ খ্রিস্টাব্দে নাগা ও কুকিদের বিদ্রোহে মোহাম্মদ আলী বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখে ইংরেজদের সাহায্য করেন। ইংরেজ সরকার এতে খুশি হয়ে মোহাম্মদ আলীর ছেলে গৌছ আলী খাঁকে ১২০০ হাল বা ১৪ হাজার ৪০০ বিঘা নিষ্কর জমি দান করেন। তবে বৃহত্তর সিলেটের মধ্যে সবচেয়ে স্বনামধন্য এবং বড় জমিদার ছিলেন আলী গৌছ খাঁর পৌত্র নবাব আলী আমজদ খাঁ। তিনি সমাজসেবক ও পরোপকারী হিসেবে সমগ্র বাংলা এবং আসামে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন। তার সময় এই জমিদার বাড়িতে মহারাজা রাধা কিশোর মানিক্য বাহাদুরসহ বহু ইংরেজ ভ্রমণ করে গেছেন।

থ) বর্ষিজোড়া ইকোপার্ক :

 

বর্ষিজোড়া ইকোপার্ক

বর্ষিজোড়া ইকোপার্ক

মৌলভীবাজার শহরের পূর্বদিকে অবস্থিত বর্ষিজোড়া ইকো-পার্ক। শহর সংলগ্ন হওয়ায় রিক্সায় করে সহজে যাতায়াত করা যায়। পার্কের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে এখানে প্রচুর লোকের সমাগম ঘটে।

 

দ) খাসিয়া পল্লী :

 

খাসিয়া পল্লী

খাসিয়া পল্লী

খাসিয়াজয়ন্তিয়া পার্বত্য অঞ্চলের অধিবাসীরা খাসি বা খাসিয়া নামে পরিচিত। নৃবিজ্ঞানী শরৎ চন্দ্র রায় এর মতে প্রাগৈতিহাসিক যুগে আর্যভাষাভাষী জাতির ভারতে আগমনের ফলে অষ্ট্রিক জাতিভুক্ত মানবগোষ্ঠী ক্রমশ: উত্তর পূর্বদিকে পশ্চাৎপসারণ করতে বাধ্য হয়। তাদেঁরই নানা বিছিন্ন গোষ্ঠী বিভিন্ন সময়ে ভারতসীমান্ত অতিক্রম করে বর্মা বর্তমান মায়ানমার,শ্যামদেশ বর্তমান থাইল্যান্ড,ইন্দোচীন ইত্যাদি দেশে পাড়ি জমিয়েছিল। এদেরই একটি বিছিন্ন শাখা মধ্য আসামে থেকে গিয়েছিল এবং এরাই খাসিয়াদের পূর্ব পুরুষ। বাংলাদেশের অন্যান্য অঞ্চলের ন্যায় মৌলভীবাজারেও খাসিয়ারা বসবাস করে । পাহাড়ী টিলায় কয়েকটি পরিবার মিলে একত্রে বসবাস করে থাকে। এদের বসবাসের এলাকাকে পুঞ্জি নামে আখ্যায়িত করা হয়।

৬. লোগো ও  স্লোগান:

চাযের বাগানের নান্দনিক সৌন্দর্য মৌলভীবাজারকে পরিচিতি এনে দিয়েছে  প্রকৃতি কন্যা হিসেবে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি চা বাগান এ জেলাতেই অবস্থিত। তাছাড়া মৌলভীবাজার তথা শ্রীমঙ্গলের চা  দেশে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিশেষভাবে পরিচিত। তাই ‘চা’ কে ভিত্তি করে জেলা ব্র্যান্ডিংয়ের লোগো নির্বাচন করা হয়েছে। (উপস্থাপিত লোগোটি খসড়া এবং উন্নয়নের কার্যক্রম চলমান আছে)।

মৌলভীবাজার জেলার জেলা ব্র্যান্ডিং স্লোগান :

“চায়ের দেশ-মৌলভীবাজার”

 

‘Moulvibazar-The land of tea’

৭. মৌলভীবাজার জেলার পর্যটন শিল্পের বর্তমান অবস্থা

এ জেলায় বছরে আনুমানিক ২,০০,০০০ (দুইলক্ষ) পর্যটকের আগমন ঘটে। জেলায় শ্রীমঙ্গলে পর্যটকদের জন্য রয়েছে ৩০টি আবাসিক/রিসোর্ট রয়েছে এবং ৩৫টি রেস্টুরেন্ট রয়েছে। বিভিন্ন পর্যটন স্থানে ভ্রমণের জন্য যোগাযোগ ব্যবস্থা হিসেবে রয়েছে বাস, সিএনজি, ইজিবাইক, রিক্সা ইত্যাদি।

৮. কাঙ্খিত ফলাফল

পর্যটনকে ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে নিম্নোক্ত ফলাফলসমূহ অর্জনের লক্ষ্যে সার্বিক পরিকল্পনা প্রণয়ন ও কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে:

  • পর্যটকদের আগমনের হার বার্ষিক ৭৫% বৃদ্ধি করা
  • বার্ষিক ১০০ জন স্থানীয় উদ্যোক্তা তৈরি করা
  • বার্ষিক ৫০০০ জনের নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা
  • দৃশ্যমান অবকাঠামোগত উন্নয়ন সাধন করা
  • চা শিল্পের সার্বিক বিকাশ ঘটিয়ে স্থানীয়দের আর্থ সামাজিক অবস্থা উন্নত করা
  • স্থানীয় পর্যটনে প্রবৃদ্ধি ১০০% বৃদ্ধি করা।

৯. সোয়াট (SWOT) বিশ্লেষণ

সার্বিক পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের সুবিধার্থে প্রাথমিকভাবে পর্যটনের শক্তি, দুর্বলতা, সম্ভাবনা ও হুমকি বিশ্লেষণ নিম্নরূপ :

শক্তি

জৈববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ

চাবাগানসমূহের দৃষ্টি নন্দন দৃশ্য,

অভ্যন্তরীন উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা

একাধিক পর্যটক আকর্ষণীয় স্থান, স্থিতিশীল আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি, অতিথি পরায়ন জনগোষ্ঠী

 

সম্ভাবনা

ইকোপার্ক ও ইকোট্যুরিজম,

আবাসন শিল্পের চাহিদা বৃদ্ধি

পর্যটক গাইড বৃদ্ধির মাধ্যমে কর্মসংস্থান, পর্যটন হোটেল, মোটেল ও রেষ্টুরেন্ট ব্যবসা,

স্থানীয় পর্যটক স্থানগুলোতে সুযোগ বৃদ্ধি করে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি,

হাকালুকিহাওরে হাওর রোড এবং রেলপথ নির্মানের মাধ্যমে উন্নয়ন

 

হুমকি

সুরক্ষা ও নিরাপত্তা

পরিবেশ দূষণ

প্রাকৃতিক দুর্যোগ

দুর্বলতা

পর্যটক গাইডের অভাব

চা বাগান কেন্দ্রিক কোন ডেস্টিনেশন স্পট নেই

বিমান বন্দর নেই

দুর্বল পরিবহন ব্যবস্থা

পর্যটন সংক্রান্ত ওয়েব সাইট নেই

 

SWOT

বিশ্লেষণ

ক) শক্তি:

জৈববৈচিত্রে সমৃদ্ধ: পাহাড়, টিলা, সংরক্ষিত বনাঞ্চল, হাওড়/বাওড়/বিল, ঝর্ণা, নদ-নদী পরিবেষ্টিত এবং জীব বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ এ জেলা ইকো ট্যুরিজমের (Eco-Tourism)জন্য খুবই উপযোগী। এ কারণে এখানে প্রতি বছর বহু সংখ্যক দেশী-বিদেশী পর্যটক ভ্রমণ করেন।

চাবাগানসমূহের দৃষ্টি নন্দন দৃশ্য:  মৌলভীবাজার জেলায় রয়েছে বৈচিত্র্যময় পরিবেশ, চা বাগান সমূহের দৃষ্টি নন্দন দৃশ্য এবং মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ।প্রাকৃতিক অপার সৌন্দর্য সমাহারে এ জেলাটি অন্যান্য জেলার তুলনায় অনেকটাই ভিন্ন।

আভ্যন্তরীন উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা:  মৌলভীবাজার জেলায় ঢাকাসহ সারা দেশের সাথে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা । তাছাড়া জেলার একাধিক পর্যটক আকর্ষণীয় স্থানসমূহের সাথে আভ্যন্তরীন উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে।

একাধিক পর্যটক আকর্ষণীয় স্থান:  মৌলভীবাজার জেলার অন্যান্য আকর্ষণের মধ্যে রয়েছে হযরত শাহ মোস্তফা (র:) এর মাজার শরীফ, বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী হামিদুর রহমানের স্মৃতিসৌধ, পৃথিমপাশা নবাববাড়ী, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনষ্টিটিউট, মনু ব্যারেজ, মাধবপুর চা-বাগান লেক, মনিপুরী পল্লী, খাসিয়া পল্লী, মাধবকুন্ড, হামহাম জলপ্রপাত, প্রাকৃতিক গ্যাস ট্রান্সমিশন প্লান্ট, কমলা/লেবু/আনারস বাগান, গ্রান্ড সুলতান টি রিসোর্ট এন্ড গলফ ইত্যাদি।

খ) দূর্বলতা

পর্যটক গাইডের অভাব: এ জেলায় পর্যটকদের তথ্য বা জ্ঞান সরবরাহের জন্য কোন উপযুক্ত ট্যুরিষ্ট গাইড নেই। ট্যুরিষ্ট গাইড এর অভাবে  চা বাগানের আশে পাশে এমন অনেক সুন্দর স্থান রয়েছে যেগুলো পর্যটকদের পরিচিতির অভাব এবং অচেনা রাস্তাঘাটের কারণে সেসব স্থানে ঘুরে আসার পথে অন্তরায় হিসেবে কাজ করে।  তাছাড়া ট্যুরিষ্ট পুলিশের হেল্প লাইন সম্পর্কে সকলে অবহিত নন। 

চা বাগান কেন্দ্রিক কোন ডেস্টিনেশন স্পট নেই: মৌলভীবাজার জেলা চা কেন্দ্রিক ডেষ্টিনেশন হলেও ব্যাপকভাবে চা বাগান কেন্দ্রিক কোন ডেস্টিশেন স্পট/পিকনিক স্পট নেই। 

বিমানবন্দর নেইমৌলভীবাজার জেলার সমশেরনগর এলাকায় একটি পুরতন পরিত্যক্ত বিমান বন্দর রয়েছে। উক্ত বিমান বন্দরটি চালু করা গেলে পর্যকটদের ব্যাপক সমাগমন ঘটবে। উল্লেখ্য যে এ জেলার আনেকেই লন্ডন প্রবাসী।

দুর্বল পরিবহন ব্যবস্থা:  মৌলভীবাজার জেলায় পৌছানোর পর পর্যটকরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতে থাকে অন্যান্য দর্শণীয় স্থানের অপরূপ সৌন্দর্ষ্য উপভোগ করার জন্য। কিন্তু পর্যটকদের আশায় অনেকটাই  বাঁধ সাজে দীর্ঘপথ ভ্রমনের ক্লান্তি। আর এই  ভ্রমণের ক্লান্তি বহুগুন বৃদ্ধি পায় এই দুর্বল পরিবহন ব্যবস্থার কারণে।

 

পর্যটন সংক্রান্ত ওয়েবসাইট নেই: মৌলভীবাজার জেলা চা কেন্দ্রিক ডেষ্টিনেশন হলেও পর্যটন স্থান সমূহের তথ্য সরবরাহের জন্য কোন  ওয়েব সাইট এবং কোন স্পট ম্যাপ নেই।

গ) সম্ভাবনা

ইকোপার্ক স্থাপন: এ জেলার খাসিয়া ও মণিপুরী পল্লীতে কয়েকটি ইকোপার্ক স্থাপন করার উজ্জ্বল সম্ভাবনা আছে। এই পার্কগুলোর মাধ্যমে পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হবে। যখন তারা চা বাগানের সৌন্দর্য উপভোগে বের হবে তখন তারা সেখানে কিছু সময়ের জন্য হলেও ঘুরে দেখবে।

আবাসন শিল্পের চাহিদা বৃদ্ধি: প্রতি বছর দেশ-বিদেশ থেকে বিপুল সংখ্যক পর্যটক মৌলভীবাজার জেলার আসে এখানকার অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য। কিন্তু পর্যটন মৌসুমে আবাসন ব্যবস্থার সমস্যা সৃষ্টি হয়। তাই ব্যাপকভাবে হোটেল/মোটেল/রিসোর্ট নির্মাণ করা হলে আবাস শিল্পের সমস্যা সমাধান সহ ব্যপক কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে। 

পর্যটক গাইড ব্যবসা: চা বাগানের আশে পাশে এমন অনেক স্থান রয়েছে যেগুলো সৌন্দর্য-পিয়াসু পর্যটকদের আকর্ষণ করে। কিন্তু সেসব স্থানে ঘুরে আসার পথে অন্তরায় হিসেবে  কাজ করে পরিচিতির অভাব এবং অচেনা রাস্তাঘাট। এই সম্ভাবনাময় সুযোগ কাজে লাগিয়ে এখানে পর্যটক গাইড ব্যবসা গড়ে তোলা হবে।

স্থানীয় পর্যটক স্থানগুলোতে সুযোগ বৃদ্ধি: পর্যটকদের চাহিদা পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সহজেই এ জেলাকে দেশী-বিদেশী পর্যটকদের ভ্রমণের জন্য আরো উপযোগী করে গড়ে তোলা যায়। এ লক্ষ্যে বিনোদনের ব্যবস্থা অন্তর্ভূক্ত করে শ্রীমঙ্গল উপজেলা, কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মনিপুরী পল্লী, খাসিয়া পল্লী, বড়লেখা উপজেলায় অবস্থিত মাধবকুন্ড জলপ্রপাত, হাকালুকি হাওড় এবং চা বাগানসহ অন্যান্য দর্শনীয় স্থানকে সম্পৃক্ত করে একটি প্যাকেজ তৈরী করা সম্ভব হলে অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে এ জেলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

ঘ) হুমকি

সুরক্ষা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা: পর্যটন ব্যবসার উন্নয়নের ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ হুমকি হিসেবে বিবেচনা করা হয় দর্শনীয় স্থানের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে । স্থানের সৌন্দর্য পর্যটকদের ভ্রমণে উৎসাহী করে তোলে কিন্তু নিরাপত্তা ব্যবস্থার অভাব পর্যটকদের ভ্রমণে অনুৎসাহিত করে তোলে।

পরিবেশ দূষণ : জেলার বিভিন্ন পর্যটক আকর্ষণীয় স্থানে পড়ে থাকতে দেখা যায় দর্শনার্থীদের ব্যবহৃত জিনিসের অপ্রয়োজনীয় অংশ যেমন- চিপসের প্যাকেট, বিভিন্ন পণ্যের মোড়ক, পানির বোতলসহ আরও অনেক কিছু। এগুলো যেমন এসব স্থানের সৌন্দর্যের অন্তরায় ঠিক তেমনি পরিবেশ দূষণেও রাখে অগ্রণী ভূমিকা।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ :  মৌলভীবাজার জেলার প্রধান নদী হিসেবে মনু, ধলাই, জুড়ী, সোনাই ও কুশিয়ারা নদী রয়েছে। হাওরের মধ্যে কাওয়াদিঘী হাওর, হাইল হাওর ও হাকালুকি হাওর অন্যতম। অতি বৃষ্টি এবং পাহাড়ী ঢলের কারণে সৃষ্ট বন্যায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে প্রাকৃতিক দূর্যোগ দেখা দেয়।

১০. জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও মুল্যবোধকে ব্র্যান্ডিং এ সম্পৃক্তকরণ

চা শিল্প ছাড়াও মৌলভীবাজার জেলার অনেক অনন্য সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য (যেমন : খাসিয়া, মণিপুরী, ত্রিপুরা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ইত্যাদি) রয়েছে। পর্যটকরা যেন পর্যটনের পাশাপাশি এসব কিছু উপভোগ করতে পারে তার ব্যবস্থা গ্রহণ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং তা অব্যাহত থাকবে।

১১. মৌলভীবাজার জেলা-ব্র্যান্ডিং কর্মপরিকল্পনা

পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সময় ও প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে পরিকল্পনাকে সাধারণত  নিন্মোক্ত তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে:

  • স্বল্পমেয়াদ: ০১ বছর
  • মধ্যমেয়াদ: ০২ বছর
  • দীর্ঘমেয়াদ: ০৩ বছর

কর্মপরিকল্পনা ছক

ক্রমিক

নং

কার্যক্রম

কর্মসম্পাদন সূচক

দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটি

মেয়াদ

সহয়তাকারী

  1.  

 

সংশ্লিষ্ট সকলের অংশগ্রহণে মতবিনিময় এবং ব্র্যান্ডিং এর বিষয় নির্দিষ্টকরণ

মতবিনিময় সভা আয়োজন এবং ব্র্যান্ডিং এর বিষয় নির্দিষ্টকরণ

জেলা বাস্তবায়ন ও সমন্বয় কমিটি  

ইতোমধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং ব্র্যান্ডিং এর বিষয়  নির্ধারণ করা হয়েছে।

জেলার সকল অংশীদার

  1.  

জেলা ফোকাল পয়েন্ট নির্ধারণ করা ও বিভিন্ন কমিটি ও উপকমিটি গঠন করা

ফোকাল পয়েন্ট  নির্বাচন ও বিভিন্ন কমিটি ও উপকমটি গঠন সম্পাদন।

জেলা বাস্তবায়ন ও সমন্বয় কমিটি

ইতোমধ্যে ফোকাল পয়েন্ট  নির্ধারন করা হয়েছে ও বিভিন্ন  কমিটি ও উপকমিটি গঠিত হয়েছে।

জেলার সকল  অংশীদার

  1.  

ব্র্যান্ডিং লোগো ও স্লোগান নির্ধারণ করা

ব্র্যান্ডিং লোগো চূড়ান্তকরণ ও স্লোগান নির্বাচন করা

জেলা বাস্তবায়ন ও সমন্বয় কমিটি

ইতোমধ্যে  স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে এবং ০১মাসের মধ্যে লোগো চুড়ান্ত করা হবে

জেলার সকল অংশীদার

  1.  

পর্যটনের বর্তমান অবস্থা বিশ্লেষণ

গবেষণা প্রতিবেদন সম্পাদন

গবেষণা উপ কমিটি

ডিসেম্বর-২০১৭

জেলার সকল অংশীদার

  1.  

পর্যটনকে ব্র্যান্ড করার ক্ষেত্রে  SWOT বিশ্লেষণ

এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রণয়ন

গবেষণা উপ কমিটি

ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

জেলার সকল অংশীদার

  1.  

জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধকে ব্র্যান্ডিং এর সাথে সম্পৃক্তকরণ

জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধকে ব্র্যান্ডিং এর সাথে সম্পৃক্তকরনের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ

গবেষণা উপ কমিটি

চলমান

জেলার সকল অংশীদার

  1.  

পরিকল্পনা বাস্তবায়ন

ব্র্যান্ডিং কার্যক্রমকে বিভিন্ন ভাবে বিভক্তকরণ এবং সে অনুযায়ী সম্পাদন

জেলা বাস্তবায়ন ও সমন্বয় কমিটি  এবং  বিভিন্ন উপ-কমিটি

চলমান

জেলার সকল স্তরের জনগণ

  1.  

অবকাঠামো, উদ্যোক্তা, বাজার ও অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে প্রাথমিক গবেষণা

গবেষণা প্রতিবেদন সম্পাদন

গবেষণা উপ কমিটি

ডিসেম্বর-২০১৭

জেলার সকল অংশীদার

  1.  

ট্যুরিষ্ট গাইড প্রশিক্ষণ

প্রশিক্ষণ প্রদান

জেলা ট্যুর গাইড প্রশিক্ষণ কমিটি

কার্যক্রম চলমান

দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ

10.

হোটেল/রেস্টুরেন্টের তালিকা তৈরী ও হালনাগাদ করা

হালনাগাদ তালিকা প্রস্তুতকরণ

জেলা বাস্তবায়ন ও সমন্বয় কমিটি 

চলমান

জেলার সকল স্তরের জনগণ

11.

ব্র্যান্ড-বুক প্রণয়ন

ব্র্যান্ড-বুক প্রণয়ন সমাপ্ত করণ

অর্থ ও প্রচার উপ কমিটি

ডিসেম্বর-২০১৭

জেলার সকল অংশীদার

12.

প্রচার

প্রচারের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ

প্রচার উপকমিটি

চলমান

স্থানীয় মিডিয়া, তথ্য মন্ত্রণালয়

১২.১

জেলা ব্র্যান্ডিং মেলা আয়োজন করা

মেলা আয়োজন

অর্থ ও প্রচার উপ-কমিটি

নভেম্বর-২০১৭

জেলা বাস্তবায়ন ও সমন্বয় কমিটি

১২.২

ব্র্যান্ডিং স্যুভেনির তৈরী

 কার্যক্রম সম্পাদন

প্রচার উপ-কমিটি

সেপ্টেম্বর-২০১৭

জেলা বাস্তবায়ন ও সমন্বয় কমিটি

১২.৩

জেলা বাতায়নে ব্র্যান্ডিং এর ওয়েব পেইজ তৈরী

ওয়েব পেইজ তৈরী সম্পাদন

প্রচার উপ-কমিটি

জুলাই-২০১৭

জেলা বাস্তবায়ন ও সমন্বয় কমিটি

১২.4

প্রচার সংক্রান্ত উপকরণ যথা: লিফলেট, বিলবোর্ড তৈরী

উপকরণ প্রস্তুতকরণ

প্রচার উপ-কমিটি

আগস্ট-২০১৭

জেলা বাস্তবায়ন ও সমন্বয় কমিটি

১২.5

জেলা ব্র্যান্ডিং মনোমেন্ট    তৈরী

 

মনোমেন্ট তৈরীকরণ

জেলা বাস্তবায়ন ও সমন্বয় কমিটি

ফেব্রুয়ারি-২০১৮

সংশ্লিষ্ট সবাই

১২.6

জেলা ব্র্যান্ডিংয়ের উদ্দেশ্যে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান/প্রতিযোগিতা আয়োজন

গৃহীত কার্যক্রম

  প্রচার ও অর্থ উপ-কমিটি

জানুয়ারি-২০১৮

জেলার সকল স্তরের জনগন

১২.7

জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ

প্রকাশিত প্রতিবেদন

প্রচার উপ-কমিটি

চলমান

জেলা বাস্তবায়ন ও সমন্বয় কমিটি

১২.8

অফিস/আদালতে জেলার পর্যটন সংক্রান্ত ওয়ালমেট/ছবি টানানো

গৃহীত ব্যবস্থা

প্রচার উপ-কমিটি

নভেম্বর- ২০১৭

জেলার সকল অংশীদার

১৩

মাধবকুন্ড জলপ্রপাত, হাকালুকি হাওর, চা  বাগানসহ অন্যান্য দর্শনীয় স্থানকে সম্পৃক্ত করে প্যাকেজ ট্যুর সার্ভিস চালু করা

গৃহীত ব্যবস্থা

জেলা বাস্তবায়ন ও সমন্বয় কমিটি

ডিসেম্বর-২০১৮

জেলার সকল অংশীদার

১৪

চা এবং ট্যুরিজম পণ্য (কমিউনিটি বেইজড) ঐতিহ্য নির্দেশক পণ্য তৈরী এবং বিক্রয় কেন্দ্র

স্থাপন

গৃহীত ব্যবস্থা

জেলা বাস্তবায়ন ও সমন্বয় কমিটি

জুলাই, ২০১৮

জেলার সকল অংশীদার

15

পাহাড়, বন্যপ্রাণী এলাকা, নদী, হাওর, ঐতিহাসিক স্থাপনায় অবকাঠামোগত উন্নয়ন

গৃহীত কার্যক্রম

অবকাঠামো উপ-কমিটি

ডিসেম্বর-২০১৮

জেলার সকল অংশীদার

১6

পর্যটন এলাকায় সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করা (যেমন-পাহাড়ী এলাকায় হাইকিং, হাটা, নদী ও হাওরে বোটিং ইত্যাদি  সুবিধা চালু করা)।

গৃহীত কার্যক্রম

অবকাঠামো উপ-কমিটি

ডিসেম্বর-২০১৮

জেলার সকল অংশীদার

১7

বিনোদন মুলক থিম পার্ক স্থাপন, খেলাধুলার প্রতিযোগিতার আয়োজন, জিমনেসিয়াম স্থাপন

গৃহীত কার্যক্রম

অবকাঠামো উপ-কমিটি

চলমান

জেলার সকল অংশীদার

১8

পর্যটন কেন্দ্রে পাবলিক টয়লেট স্থাপন

গৃহীত কার্যক্রম

অবকাঠামো উপ-কমিটি

ডিসেম্বর-২০১৮

জেলার সকল স্তরের জনগন

১9

হোটেল/রেস্তোরাঁগুলোতে পর্যটকদের হয়রানী শিকার রোধে নিবিড় তদারকির  ব্যবস্থা করা

গৃহীত তদারকি ব্যবস্থা

আইন-শৃংখলা উপ-কমিটি

চলমান

জেলার সকল অংশীদার

২0

পর্যটন স্থানগুলোর সার্বক্ষনিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণ

গৃহীত ব্যবস্থা

নিরাপত্তা উপ-কমিটি

চলমান

আইন-শৃংখলা বাহিনীসহ সর্বস্তরের জনসাধারণ

2১

বাস্তবায়ন, তদারকি ও পরিবীক্ষণ

পরিবীক্ষণ প্রতিবেদন

জাতীয় কমিটি বিভাগীয় কমিটি

জেলা কমিটি

চলমান

জেলা বাস্তবায়ন ও সমন্বয় কমিটি

২2

অগ্রগতি মূল্যায়ন ও পরিকল্পনা সংশোধন

মূল্যায়ন প্রতিবেদন

জাতীয় কমিটি বিভাগীয় কমিটি

জেলা কমিটি

প্রতিবছর

জেলা বাস্তবায়ন ও সমন্বয় কমিটি

 

১২.  প্রচার

      মৌলভীবাজার জেলার পর্যটনকে দেশে এবং দেশের বাইরে পরিচিত করতে নানাবিধ উপায় অবলম্বন করা হবে। প্রচারণার উপায় নিম্নরূপ :

ক্রমিক

কার্যক্রম

সময়সীমা

দায়িত্ব

  1.  

বিজ্ঞাপন (ব্যানার/বিলবোর্ড)

নভেম্বর, ২০১৭

প্রচার উপকমিটি

  1.  

প্রিন্ট/ইলেক্ট্রনিক মাধ্যম যেমন-রেডিও, টেলিভিশন ও সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন;

চলমান

প্রচার উপকমিটি

  1.  

জেলা প্রশাসকের ফেসবুক পেইজের মাধ্যমে প্রচার

চলমান

প্রচার উপকমিটি

  1.  

স্থানীয় ক্যাবল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্র্যান্ডিং এর প্রচার;

চলমান

প্রচার উপকমিটি

  1.  

বিভিন্ন লিফলেট ও সুভ্যেনির তৈরী ও বিতরণ।

চলমান

প্রচার উপকমিটি

  1.  

জেলার বিভিন্ন অনুষ্ঠান জেলার ব্র্যান্ডিং এর আবহে সাজানো;

চলমান

প্রচার উপকমিটি

  1.  

জেলা ব্র্যান্ডিং সংক্রান্ত ওয়েব পেইজ তৈরী যা, জেলা তথ্য বাতায়নে থাকবে;

জুলাই, ২০১৭

প্রচার উপকমিটি

  1.  

স্থানীয় সকল শ্রেণী/পেশার মানুষের মাধ্যমে প্রচারণা (বিশেষ করে রিক্সা, বাস ও অন্যান্য পরিবহন)

ডিসেম্বর, ২০১৭

প্রচার উপকমিটি

১৩. পরিকল্পনা বাস্তবায়ন

সার্বিক পরিকল্পনা বাস্তবায়রের জন্য নিম্নোক্তভাবে জেলা-ব্র্যান্ডিং বাস্তবায়ন ও সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।

জেলা বাস্তবায়ন ও সমন্বয় কমিটি :

ক্রমিক

কর্মকর্তার নাম ও পদবী

কমিটিতে পদবী

  1.  

জেলা প্রশাসক, মৌলভীবাজার

সভাপতি

  1.  

পুলিশ সুপার, মৌলভীবাজার

সদস্য

  1.  

প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা পরিষদ, মৌলভীবাজার

সদস্য

  1.  

উপপরিচালক, স্থানীয় সরকার, মৌলভীবাজার

সদস্য

  1.  

সিভিল সার্জন, মৌলভীবাজার

সদস্য

  1.  

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), মৌলভীবাজার

সদস্য

  1.  

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, মৌলভীবাজার

সদস্য

  1.  

উপপরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, মৌলভীবাজার

সদস্য

  1.  

উপপরিচালক, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, মৌলভীবাজার

সদস্য

  1.  

নির্বাহী প্রকৌশলী, গণপূর্ত বিভাগ, মৌলভীবাজার

সদস্য

  1.  

নির্বাহী প্রকৌশলী, সড়ক ও জনপথ, মৌলভীবাজার

সদস্য

  1.  

নির্বাহী প্রকৌশলী,  স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল আধিদপ্তর, মৌলভীবাজার

সদস্য

  1.  

নির্বাহী প্রকৌশলী, পিডিবি, মৌলভীবাজার

সদস্য

  1.  

চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ  (সকল),মৌলভীবাজার

সদস্য

  1.  

মেয়র, সকল পৌরসভা, মৌলভীবাজার

সদস্য

  1.  

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (সকল), মৌলভীবাজার

সদস্য

  1.  

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, মৌলভীবাজার

সদস্য

  1.  

জেলা শিক্ষা অফিসার, মৌলভীবাজার

সদস্য

  1.  

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, মৌলভীবাজার

সদস্য

  1.  

জনাব মোহাম্মদ মনোয়ার হোসেন, প্রভাষক, উদ্ভিদবিজ্ঞান, মৌলভীবাজার সরকারী কলেজ

সদস্য

  1.  

প্রতিনিধি, বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার

সদস্য

  1.  

সহকারী বন সংরক্ষক, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার

সদস্য

  1.  

জেলা তথ্য অফিসার, মৌলভীবাজার

সদস্য

  1.  

জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা, মৌলভীবাজার

সদস্য

  1.  

জেলা কালচারাল অফিসার, মৌলভীবাজার

সদস্য

  1.  

উপ-পরিচালক, চা শিল্প শ্রমকল্যাণ বিভাগ, শ্রীমঙ্গল।

সদস্য

  1.  

শেখ মো: নাহিদ নিয়াজ, অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত), টিটিসি, মাতারকাপন, মৌলভীবাজার

সদস্য

  1.  

জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার, মৌলভীবাজার

সদস্য

  1.  

সভাপতি, দি মৌলভীবাজার চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ

সদস্য

  1.  

সভাপতি, চা-বাগান মালিক সমিতি, মৌলভীবাজার

সদস্য

  1.  

সভাপতি, প্রেস ক্লাব, মৌলভীবাজার

সদস্য

  1.  

সাধারণ সম্পাদক, প্রেস ক্লাব, মৌলভীবাজার

সদস্য

  1.  

ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এমসিএন, মৌলভীবাজার

সদস্য

  1.  

সভাপতি, হোটেল/রিসোর্ট মালিক সমিতি, মৌলভীবাজার

সদস্য

  1.  

সভাপতি, আগর-আতর ম্যানুফেক্সারার্স সমিতি, মৌলভীবাজার

সদস্য

  1.  

সাধারণ সম্পাদক, হোটেল মালিক সমিতি, পটুয়াখালী

সদস্য

  1.  

সভাপতি, সড়ক পরিবহন মালিক  সমিতি, মৌলভীবাজার

সদস্য

  1.  

সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন মালিক  সমিতি, মৌলভীবাজার

সদস্য

  1.  

বেগম হুসনে আরা ওয়াহিদ, সাবেক সংসদস সদস্য, মৌলভীবাজার

সদস্য

  1.  

বেগম জোহরা আলাউদ্দিন, চেয়ারম্যান, জাতীয় মহিলা সংস্থা, মৌলভীবাজার

সদস্য

  1.  

জনাব হাসনাত কামাল, জেলা প্রতিনিধি, বিটিভি, মৌলভীবাজার

সদস্য

  1.  

নির্বাহী পরিচালক, মণিপুরী ললিতকলা একাডেমী, কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার

সদস্য

  1.  

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), মৌলভীবাজার

সদস্য-সচিব

 

বিভিন্ন উপকমিটি :

জেলা ব্র্যান্ডিং বাস্তবায়ন কমিটির আওতায় নিম্নোক্ত উপ-কমিটিসমূহ কাজ করবে:

  • কার্যকরী উপকমিটি
  • গবেষণা উপকমিটি
  • প্রচার উপকমিটি
  • অবকাঠামো উন্নয়ন উপকমিটি
  • অর্থ উপকমিটি
  • আইন-শৃঙ্খলা উপকমিটি
  • ব্র্যান্ড বুক প্রণয়ন ও প্রকাশনা উপ-কমিটি
  • ট্যুরগাইড প্রশিক্ষণ উপকমিটি

কার্যকরী উপকমিটি:

  • অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক)                                                                     আহবায়ক
  • অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), মৌলভীবাজার                                                    সদস্য
  • অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, মৌলভীবাজার                                                            সদস্য
  • নির্বাহী প্রকৌশলী(সকল)                                                                                 সদস্য
  • উপপরিচালক(সকল)                                                                                      সদস্য
  • বিভাগীয় বন কর্মকর্তা, বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ                            সদস্য
  • পুলিশ সুপার এর প্রতিনিধি                                                                             সদস্য
  • চা  বাগান প্রতিনিধি                                                                                     সদস্য
  • মেয়র, মৌলভীবাজার পৌরসভার প্রতিনিধি                                                                      সদস্য
  • জেলা পরিষদ প্রতিনিধি                                                                                            সদস্য
  • সভাপতি/সম্পাদক, প্রেসক্লাব                                                                                      সদস্য
  • সভাপতি/সম্পাদক, হোটেল মালিক সমিতি                                                                        সদস্য
  • এনজিও প্রতিনিধি                                                                                       সদস্য
  • নেজারত ডেপুটি কালেক্টর, মৌলভীবাজার                                                                       সদস্য সচিব

গবেষণা উপকমিটি:

  • অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), মৌলভীবাজার                                                     আহবায়ক
  • জেলা তথ্য অফিসার, মৌলভীবাজার                                                                    সদস্য
  • উপপরিচালক, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, মৌলভীবাজার                                                   সদস্য
  • জেলা শিক্ষা অফিসার, মৌলভীবাজার                                                                   সদস্য
  • জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, মৌলভীবাজার                                                        সদস্য
  • জনাব মোহাম্মদ মনোয়ার হোসেন, প্রভাষক, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ, মৌলভীবাজার  সরকারী কলেজ                সদস্য

 

  • শেখ মো: নাহিদ নিয়াজ, অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত), টিটিসি, মাতারকাপন, মৌলভীবাজার               সদস্য
  • প্রতিনিধি, বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার                             সদস্য
  • জেলা কালচারাল অফিসার, মৌলভীবাজার                                                             সদস্য
  • জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা, মৌলভীবাজার                                                            সদস্য-সচিব

অবকাঠামো উন্নয়ন উপকমিটি:

  • উপপরিচালক, স্থানীয় সরকার, মৌলভীবাজার                                                          আহবায়ক
  • নির্বাহী প্রকৌশলী, গণপূর্ত বিভাগ, মৌলভীবাজার                                                      সদস্য
  • নির্বাহী প্রকৌশলী, সড়ক ও জনপথ, মৌলভীবাজার                                                    সদস্য
  • নির্বাহী প্রকৌশলী, পিডিবি, মৌলভীবাজার                                                             সদস্য
  • সহকারী বন সংরক্ষক, শ্রীমঙ্গল                                                                          সদস্য
  • সহকারী বন সংরক্ষক, বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ                              সদস্য
  • নির্বাহী প্রকৌশলী, স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তর, মৌলভীবাজার                            সদস্য-সচিব

প্রচার উপকমিটি:

  • অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), মৌলভীবাজার                                                    আহবায়ক
  • মেয়র, পৌরসভা (সকল), মৌলভীবাজার                                                               সদস্য
  • উপজেলা নির্বাহী অফিসার (সকল) মৌলভীবাজার                                                     সদস্য
  • উপপরিচালক, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, মৌলভীবাজার                                                   সদস্য
  • জেলা তথ্য অফিসার, মৌলভীবাজার                                                                    সদস্য
  • জেলা শিক্ষা অফিসার, মৌলভীবাজার                                                                   সদস্য
  • সহকারী কমিশনার, সাধারণ শাখা                                                                      সদস্য
  • সহকারী কমিশনার (আইসিটি), মৌলভীবাজার                                                         সদস্য
  • জেলা কালচারাল অফিসার, মৌলভীবাজার                                                             সদস্য
  • সভাপতি, দি মৌলভীবাজার চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ                                       সদস্য
  • সাধারণ সম্পাদক, প্রেসক্লাব, মৌলভীবাজার                                                             সদস্য
  • প্রতিনিধি, বিটিভি, মৌলভীবাজার                                                                        সদস্য
  • ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মৌলভীবাজার ক্যাবল সিস্টেম (এমসিএস)                                     সদস্য
  • নেজারত ডেপুটি কালেক্টর, মৌলভীবাজার                                                              সদস্য-সচিব

আইন-শৃংখলা উপকমিটি:

  • অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, মৌলভীবাজার                                                           আহবায়ক
  • আতিরিক্ত পুলিশ সুপার (আপরাধ)                                                                     সদস্য
  • জেলা কমান্ড্যান্ড, আনসার ও ভিডিপি , মৌলভীবাজার                                             সদস্য
  • উপজেলা নির্বাহী অফিসার (সকল)                                                                      সদস্য
  • অধিনায়ক, র‌্যাব-৯, শ্রীমঙ্গল                                                                            সদস্য
  • আফিসার্স ইন চার্জ……………… থানা (সকল), মৌলভীবাজার                                  সদস্য 
  • সেক্টর কমান্ডার, বিজিবি, শ্রীমঙ্গল এর প্রতিনিধি                                                     সদস্য
  • সহকারী কমিশনার, জেএম শাখা                                                                        সদস্য-সচিব

ব্র্যান্ড বুক প্রণয়ন ও প্রকাশনা উপকমিটি :

  • অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), মৌলভীবাজার                                                     আহবায়ক
  • জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা, মৌলভীবাজার                                                          সদস্য
  • জেলা তথ্য কর্মকর্তা, মৌলভীবাজার                                                                    সদস্য
  • সহকারী পরিচালক, আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, মৌলভীবাজার                                      সদস্য
  • জনাব হাসানাত কামাল, জেলা প্রতিনিধি, বিটিভি, মৌলভীবাজার                                    সদস্য
  • জনাব শেখ মো: নাহিদ নিয়াজ, অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত), টিটিসি, মাতারকাপন, মৌলভীবাজার         সদস্য
  • নেজারত ডেপুটি কালেক্টর, মৌলভীবাজার                                                              সদস্য-সচিব

অর্থ উপকমিটি :

  • অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), মৌলভীবাজার                                                    আহবায়ক
  • নির্বাহী প্রকৌশলী, সওজ/এলজিইডি/শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর, মৌলভীবাজার                     সদস্য
  • সহকারী পরিচালক, বিআরটিএ, মৌলভীবাজার                                                       সদস্য
  • সহকারী পরিচালক, আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, মৌলভীবাজার                                     সদস্য
  • উপ-মহাব্যবস্থাপক/সহকারী ব্যবস্থাপক/ব্যবস্থাপক/ভিপি/এভিপি... ………..ব্যাংক (সকল)  সদস্য
  • সভাপতি, দি মৌলভীবাজার চেম্বার অব কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ                                    সদস্য
  • সভাপতি/সম্পাদক, ব্যাংক অফিসার্স এসোসিয়েশন, মৌলভীবাজার                                 সদস্য
  • প্রধান নির্বাহী/মহাব্যবস্থাপক/ব্যবস্থাপক, চা বাগানসমূহ, মৌলভীবাজার                           সদস্য
  • সাধারণ  সম্পাদক, জেলা ক্রীড়া সংস্থা, মৌলভীবাজার                                               সদস্য
  • সভাপতি/সম্পাদক, জেলা ইটভাটা মালিক সমিতি, মৌলভীবাজার                                  সদস্য
  • সভাপতি/সম্পাদক, হোটেল/রেস্টুরেন্ট মালিক সমিতি, মৌলভীবাজার                               সদস্য
  • সভাপতি/সম্পাদক, জেলা পরিবহন মালিক সমিতি, মৌলভীবাজার                                  সদস্য
  • সভাপতি/সম্পাদক, জেলা বণিক সমিতি, মৌলভীবাজার                                              সদস্য
  • স্বত্ত্বাধিকারী/ম্যানেজার, বেঙ্গল ফুড, পানসি, স্বাদ, রাজমহল, ওয়েষ্টার্ন প্লাজা, বনফুল              সদস্য

ম্যানেজার স্টল, সনি ইলেক্ট্রনিক্স, টিসিএল, ওয়ালটন, সিঙ্গার, এলজি-বাটারফ্লাই, তোশিবা,

গ্রান্ড সুলতান টি রিসোর্ট এন্ড গলফ, দুসাই রিসোর্ট এন্ড স্পা

  • নেজারত ডেপুটি কালেক্টর, মৌলভীবাজার                                                              সদস্য-সচিব

ট্যুরগাইড প্রশিক্ষণ উপকমিটি :

  • অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক), মৌলভীবাজার                                                    আহবায়ক
  • সহকারী কমিশনার, সাধারণ শাখা                                                                      সদস্য
  • সহকারী কমিশনার (আইসিটি), মৌলভীবাজার                                                         সদস্য
  • অধ্যক্ষ, মৌলভীবাজার টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ                                                  সদস্য-সচিব

১৪.  নিয়মিত অগ্রগতি মুল্যায়ন ও পর্যবেক্ষণ:

            ব্র্যান্ডিং এর কাজগুলো সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হচ্ছে কিনা এবং হলেও সেটার অগ্রগতি কতটুকু তা ছয়মাস পর পর মুল্যায়ন করা হবে। অগ্রগতি মুল্যায়নের সুচকসমূহ নিম্নরূপ:

  • ব্র্যান্ডিংয়ের ফলে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে কি না? হয়ে থাকলে কোন কোন ক্ষেত্রে এবং কী পরিমাণ হয়েছে?
  • জেলাকে নিয়ে মানুষ গর্ব করে কি না?
  • পর্যটকদের আগমন বৃদ্ধি পেয়েছে কি না ? পেয়ে থাকলে কতজন/শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে ?
  • ব্র্যান্ড সম্পর্কে মানুষ কতটুকু সচেতনা/অবগত ?
  • অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে কি না ? হলে কী কী অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে ?
  • পর্যটন ও এ সংশ্লিষ্ট খাতে বিনিয়োগ বেড়েছে কি না ? বাড়লে কি পরিমাণে বেড়েছে ?
  • স্থানীয় উদ্যোক্তা তৈরী হয়েছে কি না ? হয়ে থাকলে কতজন হয়েছে ?

১৫.  অর্থায়নের উৎস

‘পরিকল্পনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অর্থায়ন এমন একটি বিষয় যা ছাড়া আসলে পরিকল্পনা ববাস্তবায়ন কোন ভাবেই সম্ভব না। মৌলভীবাজার জেলায়  ব্র্যান্ডিং এর ক্ষেত্রেও নিম্নোক্ত অর্থায়নের উৎসসমূহকে বিবেচনায় নেয়া হয়েছে:

  • স্থানীয় উদ্যোগ
  • সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব
  • সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা

 

১৬. উপসংহার

প্রয়োজনীয় প্রণোদনা, সময়োপযোগী পদক্ষেপ ও সামাজিক গণমাধ্যমের সঠিক এবং দায়িত্বশীল ভূমিকা নিশ্চিত করার মাধ্যমে পর্যটনকে ভিত্তি করে মৌলভীবাজার জেলার অর্থনৈতিক গতিশীলতা আনয়নের মাধ্যমে বর্তমান সরকারের রূপকল্প ২০২১ ও ২০৪১ বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসন মৌলভীবাজার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

 

(মো: তোফায়েল ইসলাম)
জেলা প্রশাসক
মৌলভীবাজার

 

ব্র্যান্ডিংয়ের বিষয় : পর্যটন/পণ্য/উদ্যোগ/অন্যান্য
নমুনা ছক (বর্তমান অবস্থা ও কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য মাত্রা) পর্যটন ব্র্যান্ডিংয়ের ক্ষেত্রে

 

জেলার নাম : মৌলভীবাজার।

 

 

বিষয়

বর্তমান অবস্থা

কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য মাত্রা

পর্যটকের সংখ্যা

2,00,000 জন

25% বৃদ্ধি করা

স্থানীয় উদ্যোক্তা তৈরি করা

150 জন

50% বৃদ্ধি করা

কর্ম সংস্থান

2500 জন

১০০% বৃদ্ধি করা

বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নিরাপত্তা শেড স্থাপন করা

বর্তমানে সকল পর্যটন স্পটে  ট্যুরিস্ট পুলিশের  শেড  নেই

সকল গুরুত্বপূর্ণ/আকর্ষণীয় পর্যটন  স্পটে নিরাপত্তার জন্য পুলিশ শেড স্থাপন করা

পর্যটন কেন্দ্রে পাবলিক টয়লেট স্থাপন

দুরবর্তী/দুর্গম পর্যটন স্পটগুলোতে পাবলিক টয়লেটের ব্যবস্থা নেই।

সকল পর্যটন স্পটে পাবলিক টয়লেট স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা

পর্যটন স্পটে বিনোদন পার্ক স্থাপন

বর্তমানে কোন ব্যবস্থা নেই।

লাউয়াছড়া, মাধবপুর লেইক, হাকালুকি হাওড় ও    বর্ষিজোড়া ইকো পার্কে বিভিন্ন আনন্দদায়ক খেলাধুলার ব্যবস্থা সম্বলিত বিনোদন পার্ক স্থাপন করা।

হাকালুকি হাওর, বাইক্কা বিল ও মাধবপুর লেইক এ ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ

প্রতিটি স্পটে ২/১টি করে ওয়াচ টাওয়ার রয়েছে।

হাকালুকি হাওর, বাইক্কা বিল ও মাধবপুর লেইক সহ সকল পর্যটন স্পটে উপযুক্ত স্থানে ৫/৬টি করে ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন করা।

অফিস/আদালতে জেলার পর্যটন সংক্রান্ত ওয়ালমেট/ছবি টানানো

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পর্যটন আকর্ষণীয় স্থানের ছবি টানানো হয়েছে।

জেলা/উপজেলা’র সকল সরকারি/বেসরকারি অফিসে পর্যটন সংক্রান্ত ছবি টানানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা্

জেলা ব্র্যান্ডিংয়ের উদ্দেশ্যে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান/প্রতিযোগিতা আয়োজন

অদ্যাবধি কোন  সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান/প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়নি।

জেলা ব্র্যান্ডিংয়ের উদ্দেশ্যে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান/ প্রতিযোগিতা আয়োজনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা

জেলা ব্র্যান্ডিং মনুমেন্ট    তৈরী

 

কোন মনুমেন্ট নেই।

মৌলভীবাজার সার্কিট হাউজের সম্মুখে ০১টি মনুমেন্ট তৈরী করার ব্যবস্থা গ্রহণ।

হোটেলগুলোতে প্রফেশনাল ট্যুরিস্ট গাইডদের সংখ্যা বৃদ্ধি করা

বর্তমানে হোটেলগুলোতে পর্যাপ্ত প্রফেশনাল ট্যুরিস্ট গাইড নেই।

প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রতি বছর ১০০জন প্রফেশনাল ট্যুরিস্ট গাইড তৈরী করা।

জেলা-ব্র্যান্ডিং মেলার আয়োজন করা

জেলা ব্র্যান্ডিং মেলার আয়োজন করা হয়নি।

জেলা ব্র্যান্ডিং মেলা আয়োজনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

টুরিস্ট ডিরেক্টরি  তৈরি করা

জেলায় কোন ট্যুরিস্ট ডিরেক্টরি নেই

জেলায় একটি ট্যুরিস্ট ডিরেক্টরি তৈরী করা।

হামহাম জলপ্রপাত, হাকালুকি হাওর, বাইক্কা বিল ও মাধবপুর লেইক যাওয়ার রাস্তা সংস্কার করা

উক্ত স্পটসমূহে যাতায়াতের রাস্তাগুলো ঝরাজীর্ণ অবস্থায় আছে।

স্পটসমূহের রাস্তাগুলো সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

পর্যটন স্পটে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা

পর্যটন স্পটে প্রাথমিক চিকিৎসার প্রয়োজনীয় কোন ব্যবস্থা নেই

পর্যটন স্পটগুলোতে প্রাথমিক চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা।

 “চায়ের দেশ-মৌলভীবাজার” লোগো ব্যপক হারে প্রচার করা

বর্তমানে সরকারি/বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ওয়েব সাইটে, বিভিন্ন প্লেসে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় জেলা ব্র্যান্ডিং লোগো প্রদর্শন করা হচ্ছে না।

সরকারি/বেসরকারি  সাইটে, বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায়  “চায়ের দেশ-মৌলভীবাজার” লোগো বহুল প্রচার ও প্রদর্শন করা

জেলা ব্র্যান্ডিং সংক্রান্ত ব্র্যান্ড বুক প্রণয়ন করা

জেলা ব্র্যান্ডিং সংক্রান্ত কোন ব্র্যান্ড বুক নেই।

জেলা ব্র্যান্ডিং সংক্রান্ত ব্র্যান্ড বুক প্রণয়ন করা।

বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ নিশ্চিত করা

কোন পর্যটন স্পটেই বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা নেই।

বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য প্রতিটি পর্যটন স্পটে অন্তত ০১টি করে ফিল্টার স্থাপন

প্রতিবন্ধী এবং বয়স্কদের জন্য হুইল চেয়ারের ব্যবস্থা করা

প্রতিবন্ধী এবং বয়স্কদের জন্য হুইল চেয়ারের ব্যবস্থা নাই

গুরুত্বপূর্ণ ও পর্যটক আকর্ষণীয় স্পটে প্রতিবন্ধী এবং বয়স্কদের জন্য হুইল চেয়ারের ব্যবস্থা করা।

পর্যটন কেন্দ্রে ফুড কর্নার স্থাপন করা

বর্তমানে কোন পর্যটন কেন্দ্রে কোন ফুড কর্নার নেই

প্রতিটি পর্যটন কেন্দ্রে একটি করে ফুড কর্নার স্থাপন করা

হামহাম জলপ্রপাত, মাধবপুর লেইক এলাকায় ক্যাবল কার স্থাপন

বর্তমানে কোন পর্যটন স্পটে ক্যাবল কার নেই

হামহাম জলপ্রপাত, মাধবপুর লেইক ক্যাবল কার স্থাপন করা

ডকুমেন্টারি তৈরী

মৌলভীবাজারের পর্যটন সম্ভাবনাকে  ভিত্তি করে কোন ডকুমেন্টারি নেই

পর্যটন স্পটসমূহের বিবরণ তুলে ধরে পর্যটক আকর্ষন করার জন্য ডকুমেন্টারি তৈরী করা

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার

বর্তমানে সীমিত আকারে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার চলছে

সোশ্যাল মিডিয়ায় (ফেসবুক, টুইটার)  ব্যাপক আকারে পর্যটন স্পটসমূহের প্রচার করা

জেলা ওয়েব পোর্টালে জেলা ব্র্যান্ডিং এর পেইজ তৈরী করা

জেলা ওয়েব পোর্টালে জেলা ব্র্যান্ডিং এর কোন পেইজ নেই

জেলা ওয়েব পোর্টালে জেলা ব্র্যান্ডিং এর জন্য পেইজ তৈরী করা

 

 

সহকারী কমিশনার
সাধারণ শাখা
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়
মৌলভীবাজার।

 

নমুনা কর্ম-পকিল্পনা ছক (পর্যটন-ব্র্যান্ডিং) ০৩ বছরমেয়াদী

 

জেলা : মৌলভীবাজার

 

ক্রমিক

কার্যক্রম

সময়সীমা

জেলা ওয়েব পোর্টালে জেলা ব্র্যান্ডিং এর জন্য পেইজ তৈরী করা

সেপ্টেম্বর, ২০১৭

জেলা ব্র্যান্ডিং সংক্রান্ত ব্র্যান্ড বুক প্রণয়ন করা।

অক্টোবর, ২০১৭

জেলা/উপজেলা’র সকল সরকারি/বেসরকারি অফিসে পর্যটন সংক্রান্ত ছবি টানানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা্

ডিসেম্বর, ২০১৭

‌৪

জেলা ব্র্যান্ডিংয়ের উদ্দেশ্যে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান/প্রতিযোগিতা আয়োজনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা

ডিসেম্বর, ২০১৭

সরকারি/বেসরকারি  সাইটে, বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায়  “চায়ের দেশ-মৌলভীবাজার” লোগো ব্যাপক প্রচার ও প্রদর্শন করা

ডিসেম্বর, ২০১৭

পর্যটন স্পটসমূহের নয়নাভিরাম সৌন্দর্য্য ও বর্তমান সুযোগ সুবিধা তুলে ধরে পর্যটক আকর্ষন করার জন্য ডকুমেন্টারি তৈরী করা

ডিসেম্বর, ২০১৭

সোশ্যাল মিডিয়ায় (ফেসবুক, টুইটার) ব্যাপক আকারে পর্যটন স্পটসমূহের প্রচার করা

ডিসেম্বর, ২০১৭

জেলা ব্র্যান্ডিং মেলা আয়োজনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

মে, ২০১৮

প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রতি বছর ১০০জন প্রফেশনাল ট্যুরিস্ট গাইড তৈরী করা।

জুন, ২০১৮

১০

পর্যটন স্পটগুলোতে প্রাথমিক চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা।

আগস্ট, ২০১৮

১১

বিশুদ্ধ পানির সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য প্রতিটি পর্যটন স্পটে অন্তত ০১টি করে ফিল্টার স্থাপন

আগস্ট, ২০১৮

১২

গুরুত্বপূর্ণ ও পর্যটক আকর্ষণীয় স্পটে প্রতিবন্ধী এবং বয়স্কদের জন্য হুইল চেয়ারের ব্যবস্থা করা।

আগস্ট, ২০১৮

১৩

প্রতিটি পর্যটন কেন্দ্রে একটি করে ফুড কর্নার স্থাপন করা

আগস্ট, ২০১৮

১৪

মৌলভীবাজার সার্কিট হাউজের সম্মুখে ০১টি মনুমেন্ট তৈরী করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

আগস্ট, ২০১৮

১৫

জেলায় একটি ট্যুরিস্ট ডিরেক্টরি তৈরী করা।

আগস্ট, ২০১৮

১৬

উদ্যোক্তা 50% বৃদ্ধি করা

ডিসেম্বর, ২০১৮

১৭

কর্মসংস্থান ১০০% বৃদ্ধি করা

ডিসেম্বর, ২০১৮

১৮

সকল গুরুত্বপূর্ণ/আকর্ষণীয় পর্যটন স্পটের নিরাপত্তার জন্য পুলিশ শেড স্থাপন করা

মার্চ, ২০১৯

১৯

হাকালুকি হাওর, বাইক্কা বিল ও মাধবপুর লেইক এর উপযুক্ত স্থানে ৫/৬টি করে ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন করা।

জুন, ২০১৯

২০

পর্যটকের সংখ্যা 25% বৃদ্ধি করা

ডিসেম্বর, ২০১৯

২১

সকল পর্যটন স্পটে পাবলিক টয়লেট স্থাপনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা

ডিসেম্বর, ২০১৯

২২

লাউয়াছড়া, মাধবপুর লেইক, হাকালুকি হাওড় ও বর্ষিজোড়া ইকো পার্কে বিভিন্ন আনন্দদায়ক খেলাধুলার ব্যবস্থা সম্বলিত বিনোদন পার্ক স্থাপন করা।

ডিসেম্বর, ২০১৯

২৩

স্পটসমূহের রাস্তাগুলো সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

ডিসেম্বর, ২০১৯

২৪

হামহাম জলপ্রপাত ও মাধবপুর লেকে ক্যাবল কার স্থাপন করা

ডিসেম্বর, ২০১৯

 

সহকারী কমিশনার
সাধারণ শাখা
জেলা প্রশাসকের কার্যালয়
মৌলভীবাজার।

 

ছবি


সংযুক্তি

জেলা ব্র্যান্ডিং বিষয়ে অনুষ্ঠিত সভার কার্যবিবরণী জেলা ব্র্যান্ডিং বিষয়ে অনুষ্ঠিত সভার কার্যবিবরণী


সংযুক্তি (একাধিক)

পর্যটন বিষয়ক মত বিনিময় সভা পর্যটন বিষয়ক মত বিনিময় সভা
পর্যটন বিষয়ক মত বিনিময় সভা পর্যটন বিষয়ক মত বিনিময় সভা
পর্যটন বিষয়ক মত বিনিময় সভা পর্যটন বিষয়ক মত বিনিময় সভা
লোগো লোগো