মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
ইসলামিক ফাউন্ডেশন

ইসলামিক ফাওউন্ডেশন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা।ইসলাম প্রচার ও প্রসারের লক্ষে ১৯৭৫ সালের ২২ই মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এক অধ্যাদেশ বলে ইসলামিক ফাওউন্ডেশন করেন এবং ২৮ই মার্চ এর এক্ট জারি করা হয়। ইসলামিক ফাওউন্ডেশন এর সার্বিক নীতি নিরধারণ,নির্দেশনা প্রদান,কার্যক্রম তত্ত্বাবধানও পুর্যবেক্ষণের জন্য মাননীয় সংসদ সদস্য,শিক্ষবিদ,ইসলামি চিন্তাবিদ ও সর্বোচ্চ প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত একটি বোর্ড অব গভর্নস রয়েছে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী উক্ত বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং ইসলামিক ফাওউন্ডেশন এর মহাপরিচালক উক্ত বোর্ডের সদস্য-সচিব।

  • কী সেবা কীভাবে পাবেন
  • প্রদেয় সেবাসমুহের তালিকা
  • সিটিজেন চার্টার
  • সাধারণ তথ্য
  • সাংগঠনিক কাঠামো
  • কর্মকর্তাবৃন্দ
  • তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা
  • কর্মচারীবৃন্দ
  • বিজ্ঞপ্তি
  • ডাউনলোড
  • আইন ও সার্কুলার
  • ফটোগ্যালারি
  • প্রকল্পসমূহ
  • যোগাযোগ

সাংস্কৃতিক কার্যক্রম:

(ক) জাতীয় ও ধর্মীয় দিবসপালন যেমন, মহান বিজয় দিবস,স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস,শহীদ দিবস, মে দিবস,বাংলা নববর্ষ, হজ্জ্ব ও উমরা ,আশুরা , শবে মেরাজ, শবে বরাত,শবেকদর ইত্যাদি।

(খ) ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) কর্মসূচী উদযাপন, রমযানের কর্মসূচী পালন, তাফসীর মাহফিল ইত্যাদি।

(গ) শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক জাতীয়শিশু কিশোর সাংস্কৃতিক ও হিফজ প্রতিযোগিতা পরিচালনা।

(ঘ) যুব ও মহিলা অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন,বুক ক্লাব প্রতিষ্ঠা,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক দেয়াল পত্রিকা প্রকাশ,জাতীয় শোক দিবস ,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম দিবসপালন ইত্যাদি|

২।মসজিদভিত্তিকশিশু ও গণশিক্ষা  কার্যক্রমঃ এ প্রকল্পটি ফাউন্ডেশনের একটিবৃহতৎ প্রকল্প এবং শিক্ষা সম্প্রসারনে এ প্রকল্পটির ব্যাপক জন চাহিদা রয়েছে।মসজিদকে সমাজ বিনির্মানের প্রাথমিক ও কার্যকরী ইউনিট হিসাবে সত্যিকাভাবে প্রতিষ্ঠিত এবং মসজিদের ইমাম সাহেবদের সেই মহতী বির্নিমানের গর্বিত অংশীদার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে সরকার ১৯৯৩ সালে শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু করে। মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পের ধারাবাহিকতায় অত্র জেলার ০৭টি উপজেলায় কার্যক্রমযথারীত চালু রয়েছে্ । অত্র জেলায় ২৪৮টি প্রাক-প্রাথমিক,১২ বয়স্কশিক্ষা এবং১৪৯টি মসজিদে পবিত্র কুরআন শিক্ষা কেন্দ্র এবং ০৭টি মডেল রিসোর্সসেন্টার কাম উপজেলা সাব অফিস  ও ১৬ টিসাধারন রিসোর্স সেন্টার চালু রয়েছে্। শিক্ষা কেন্দ্রে শিক্ষার্থী উপস্থিতি ও অগ্রগতি  সন্তোষজনক। শিক্ষা সমাপনী শিক্ষার্থীগণ আনুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমে ভর্তি হয়েছে এবং ভর্তির হারপ্রায় ৯২%। এ কার্যক্রম চালুর ফলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির হার বৃদ্ধি পেয়েছে এবং মান সম্মত ও গুনগত শিক্ষা নিশ্চিত হচ্ছে। শিক্ষার্থীগন প্রকল্প থেকে শিক্ষা উপকরণ ও সহায়ক উপকরণ (বইপুস্তক,চক,শ্লেট,ব্ল্যাক বোর্ড,সাইন বোর্ড, বসার মাদুর, ডাস্টার ইত্যাদি)বিনামূল্যে পেয়ে থাকে। শিক্ষকগণ মাসিক নির্ধারিত ১৮০০/ সাধারন কেয়ার টেকারগণ ২২০০/- ও মডেল কেয়ার টেকারগন ২৭০০/- টাকা সম্মানী ভাতা পেয়ে থাকেন। কার্যক্রম নিবিড় পরিদর্শনের জন্য ফিল্ড অফিসার,ফিল্ড সুপারভাইজার ও কেয়ারটেকারগণ নিয়োজিত রয়েছেন।কার্যক্রম সুষ্ঠভাবে পরিচালনার লক্ষে উপজেলা এবং জেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং জেলা প্রশাসককে প্রধান করে উপজেলা এবং জেলা পর্যায়ে মনিটরিং কমিটি রয়েছে।

৩।  মসজিদপাঠাগার স্থাপন প্রকল্পঃ মসজিদে নববীর আলোকে বাংলাদেশের মসজিদসমূহকে গড়ে তোলার লক্ষে এবং মসজিদগুলোকে ইসলামিক জ্ঞান চর্চার ও প্রচারের কেন্দ্র বিন্দু হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে ১৯৭৯-৮০ অর্থ বছর থেকে প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিবছর জেলার বিভিন্ন মসজিদে লক্ষ লক্ষ টাকার বই ও আসবাবপত্র বিনা মূল্যে পুস্তক ও আলমিরা সরবরাহ করা হয়ে থাকে। এ সকল পাঠাগার স্থাপনের ফলে জেলায় হাজার হাজার পাঠক সৃষ্টি হয়েছে ও সৎ মানুষ তৈরী হচ্ছে এবং নৈতিক শিক্ষারউন্নয়ন ঘটেছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটি রয়েছে।উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত লাইব্রেরীয়ানগণ উপজেলায় স্থাপিত মসজিদ পাঠাগার সমূহনিবিড় ভাবে পরিদর্শন করে থাকেন। জেলার যে কোন মসজিদ কর্তৃপক্ষ আগ্রহী হলেবিনামূল্যে নির্ধারিত ফরম পুরণপূর্বক অত্র কার্যালয় থেকে পুস্তক সংগ্রহকরতে পারেন।

  ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমীকার্যক্রমঃ  ১৯৭৯সালে ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমী প্রতিষ্ঠিত হয়। ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমী কেন্দ্রের মাধ্যমে ইমামদেরকে ইসলামিয়াত, গণশিক্ষা, পরিবার কল্যান, প্রাথমিকস্বাস্থ্য পরিচর্যা ও প্রাথমিক চিকিৎসা, কৃষি ও বনায়ন, পশু-পাখি পালন ওমৎস্য চাষ বিষয়ে ৪৫দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়ে থাকে।  প্রশিক্ষনের আলোকে ইমামগণ আর্থসামাজিক উন্নয়নমুলক কর্মকান্ডে সম্পৃক্তরয়েছে। এ কার্যক্রম রুটিন কাজ হিসাবে অব্যহত আছে। এ ছাড়া ডেইরী ফার্ম,মৎস্য খামার,কৃষি ও বনায়ন,পরিবেশ দূষণ,সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদের প্রতিরোধ, দূর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন,যৌতুক বাল্যবিবাহ,নারী ও শিশু নির্যাতন ও পাচার প্রতিরোধ,নারী অধিকার সংরক্ষন ইত্যাদি কাজে অবদান রাখতে সক্ষম হয়েছেন।

৫।হজ্জ ব্যবস্থাপনাঃ সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ্জে গমনেচ্ছুকদের জন্য হজ্জ প্যাকেজ ঘোষনার প্রেক্ষিতে অত্র কার্যালয়ের পক্ষ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় হাজী সংখ্যা বৃদ্ধির বিষয়ে সর্বাত্মক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। সুষ্ঠু ওসুন্দরভাবে হজ্জ সম্পাদনের স্বার্থে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রেরিত আবেদন ফরম ও নিয়মাবলী সম্ভাব্য হজ্জযাত্রীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। সম্ভাব্য হজ্জযাত্রীদের মধ্যে সরকারী সুযোগ সুবিধাদি জেলা এবং উপজেলা পর্যায়েউদ্বুদ্ধ করণ সমাবেশের মাধমে অবহিত করা হয়।  এ ছাড়া হজ্জ যাত্রীদের যাবতীয়সেবা প্রদান, হজ্জ সংক্রন্ত তথ্যাদি অবগত করন এবং হজ্জ যাত্রীদের প্রশিক্ষণপ্রদানসহ অন্যান্য কার্যক্রম এ কার্যালয়ের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়ে থাকে। 

 মানব সম্পদ উন্নয়নে ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করণ প্রকল্পঃ ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায়  এবং ইউ এন এফ পি এর অর্থায়নে পরিচালিত ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর মাধ্যমে বাস্তবায়নাধীন মানব সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে প্রজনন স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ,নিরাপদ মাতৃত্ব, আদর্শ পরিবার গঠন, পরিবার কল্যান,মাদকমুক্ত সমাজ গঠন,পরিবেশ দুষন,যৌতুক ও বাল্য বিবাহ নিরুৎসাহিত করন, স্যানিটেশন, জনসংখ্যার বিস্ফোরন রোধ,নারী অধিকার সংরক্ষন,এইচ, আই,ভি,এইডস, ইভটিজিং ইত্যাদি বিষয়ে বিভিন্ন পেশাজীবি,ধর্মীয়  নেতৃবৃন্দ, কাজী  এবং মহিলাদের তিন-চার দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে।  এ প্রকল্প বাস্তবায়নে জনসংখ্যা বৃদ্ধি হার রোধ, নিরাপদ মাতৃত্ব, আদর্শ পরিবার গঠনে,ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতাবোধ জাগ্রত হচ্ছে এবং পরিকল্পিত পরিবার গঠনে তারা  উৎসাহিত হচ্ছেন এবং অন্যদেরকে এ বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করছেন।

  ইমাম মুয়াজ্জিনকল্যান ট্রাষ্টঃ সরকার বাংলাদেশের সকল মসজিদের ইমাম ওমুয়াজ্জিনদের কল্যানার্থে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারইমাম-মুয়াজ্জিন কল্যান ট্রাষ্ট আইন ২০০১ পাস করেছে। উক্ত ট্রাষ্টের আওতায় মৌলভীবাজার জেলার ইমাম ও মুয়াজ্জিনদেরকে ট্রাষ্টের আওতাভুক্তির লক্ষ্যে জেলায় ইমাম ও মুয়াজ্জিন কল্যান ট্রাষ্ট এর সদস্যভুক্তি কার্যক্রমসহ অন্যান্য কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। মাসিক চাঁদা ১০/- টাকা প্রদান করে এ পর্যন্ত জেলার প্রায় ১৫০০জন ইমাম ও মুয়াজ্জিন ট্রাষ্টের সদস্যভুক্ত হয়েছেন। জেলার সম্মানিত সকল ইমাম- মুয়াজ্জিনগণকে ইসলামিক ফাউন্ডেশন মৌলভীবাজার জেলা কার্যালয়ে অথবা উপজেলা পর্যায়ের মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পে নিয়োজিত ফিল্ড সুপারভাইজাদের সাথে অতিসত্বর যোগাযোগ করে মাসিকচাঁদা পরিশোধ পূর্বক সদস্য হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।

প্রকাশনা কার্যক্রমঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন ইসলামী সাহিত্য ও আল কুরআনুল করীম মা‘আরেফুল কুরান,হাদীস গ্রন্থসহ  অসংখ্য বই প্রকাশ করে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। ইসলামের মৌলিক বিষয়াবলী , ইসলামের ইতিহাস, ইসলামী আইন,তাফসির, দর্শন,মনীষীদের জীবনী, ইসলামী অর্থনীতি, নারী অধিকার,দৈনন্দিন জীবনে ইসলাম,ইসলামী বিশ্বকোষ, ফাতাওয়া ও মাসায়েল শীর্ষকগ্রন্থ এবং বিভিন্ন হাদীসগ্রন্থ প্রকাশনাসহ ইসলামিক ফাউন্ডেশন হতে এপর্যন্ত প্রায় ৩,৬০০ শিরোনামের বই প্রকাশিত হয়েছে।

 এসকল বই জেলা কার্যালয়ের মাধ্যমে বিক্রয় ও বিপনন হয়ে থাকে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রকাশিত পুস্তক ক্রয়ে কোন টেন্ডার বা দরপত্রের প্রয়োজন হয়না।প্রতিটি অনুষ্ঠানে আপনার প্রিয়জনকে ও পুরস্কার বিতরণ  অনুষ্ঠানে ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রকাশিত পুস্তক সহজ মূল্যে ক্রয় করে বিতরণ/প্রদানেরজন্য অনুরোধ করা হলো। প্রকাশিত পুস্তকাবলী অত্র কার্যালয়ের বিক্রয় শাখাথেকে সহজ মূল্যে ক্রয়ের জন্য জেলাবাসীর সহযোগীতা কামনা করা হলো।

যাকাত বোর্ড কর্মসূচীঃ সরকার দেশের দুঃস্থ ও অসহায়দের কল্যানার্থে ১৯৮২ সালে যাকাত বোর্ড গঠন করেন। যাকাত বোর্ডের আওতায় যাকাত আদায়ের কর্মসূচী পালন করা হয়ে থাকে। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত ধর্মমন্ত্রীর সভাপতিত্বে দেশের খ্যাতমান আলেম ওলামাদের সমন্বয়ে যাকাত বোর্ড গঠিত। ইসলামের বিধান অনুযায়ী যাকাতের ৮টি খাতে অর্থ ব্যয় হয়ে থাকে।  দুঃস্থ ও অসহায়দের কল্যানে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।যাকাত ফান্ডের অর্থে সেলাই মেশিন, শিক্ষা উপকরণ,ৃবৃত্তি প্রদান, রিক্সা/ভ্যান, হাঁস মুরগী/গরু ছাগল, গৃহ নির্মাণ এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়েঅসহায় দুঃস্থদের পুনর্বাসনে সহায়তা প্রদান করা হয়ে থাকে। জেলা প্রশাসক ও জেলা যাকাত কমিটির সভাপতির মাধ্যমে যাকাত কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়ে থাকে।

  জেলা চাঁদ দেখা কমিটির সভাঃ চন্দ্র মাসের সঠিক হিসাব নিরুপন এবং ধমীয় দিবস ও সরকারী ছুটিসমূহ সঠিক ভাবে নির্ধারণের জন্য চাঁদ দেখা কমিটির মিটিং গুরুত্বপূর্ণ। জেলা প্রশাসক এ কমিটির সভাপতি। জেলা চাঁদ দেখাকমিটির মাধ্যমে প্রতিমাসে সভা যথারিতি বাস্তবায়িত হয়ে আসছে। চান্দ্র মাসেরসঠিক হিসাব-নিকাশে এ সভার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

1  ইসলামিক ফাউন্ডেশন লাইব্রেরীঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ের উপর গবেষণাসহ সর্বস্তরের জনগনের মধ্যে ইসলামী জ্ঞান বিকাশের সুযোগ  সুবিধা সৃষ্টির লক্ষ্যে জেলা পর্যায়ে লাইব্রেরী কার্যক্রম চালু রয়েছে। জেলা পাঠাগারে গবেষনা ধর্মী  ইসলামীজ্ঞান বিকাশে বহু বিরল বই রয়েছে। এ পাঠাগার ১৯৮০-৮১ অর্থ বছর হতে পাঠাগার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। জ্ঞান পিপাসু পাঠকদের জন্য এ পাঠাগারটি ইতোমধ্যেই সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। সুতরাং জনচাহিদার প্রেক্ষিতে  লাইব্রেরী কক্ষ প্রশস্ত হওয়া জরুরী। সর্বমহলে এ পাঠাগারের কার্যক্রম সমাদৃত হচ্ছে।বঙ্গবন্ধুর প্রতিষ্ঠিত ইসলামিক ফাউন্ডেশন  সরকারী অর্থে পরিচালিত মুসলিমবিশ্বের অন্যতম একটি বৃহৎ সংস্থা হিসাবে ইতোমধ্যে নন্দিত হয়েছে। জ্ঞানপিপাসু ও গবেষক এবং আগ্রহী পাঠকগণ এ পাঠাগারে এসে জ্ঞান অর্জন ও গবেষণাকার্য সম্পাদণ করতে পারেন।

মসজিদ জরিপঃ জেলারপ্রকৃত মসজিদ কত ? এর সঠিক পরিসংখ্যান জানা একান্ত আবশ্যক। এরই প্রেক্ষিতে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আহবানে সাড়া দিয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সম্পুর্ণ সেচ্ছা শ্রমে কার্যালয়ের কর্মকর্তা কর্মচারীদের তত্বাবধানে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমে নিয়োজিত ফিল্ডসুপারভাইজার,কেয়ারটেকার,শিক্ষক, মসজিদ পাঠাগার লাইব্রেরীয়ান এবং ধর্মীয়নেত্রীবৃন্দের সহযোগিতায় কোনরুপ অর্থ ব্যয় ছাড়া মৌলভীবাজার জেলার মসজিদ জরিপকার্য সফল ও স্বার্থক ভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। এ জেলায় মসজিদের সংখ্যা=৩৩১৪টি।

 

জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস বাদ প্রতিরোধ প্রকল্পঃ জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস বাদ দমনে একটি প্রকল্প গ্রহন করা হয়েছে । উক্ত প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি মসজিদে জুমার খুৎবার আগে এলাকাবাসী / মুসল্লিদের সচেতন করার জন্য ইমামদের দ্বায়িত্ব প্রদান করা হয় । ইমামদের এই বিষয়ে প্রশিক্ষন প্রদান করাহয় । উক্ত কাজের প্রতিবেদন প্রতি মাসে ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রধান কার্যলয়ে , জেলা প্রশাসক মহোদয় ও গোয়েন্দা সংস্থাকে প্রদান করা হয় ।

১৪অন্যান্য কার্যক্রমঃ যৌতুক ও মাদকের কুফল,বাল্যবিবাহ নিরুৎসাহিত করণ, দুর্নীতি মুক্ত সমাজ গঠনেসহযোগিতা, স্যানিটেশন, নারী ও শিশু নির্যাতন ও পাচার  প্রতিরোধ, এইচ,আই,ভি,এইডস, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, সন্ত্রাস/জঙ্গীবাদের কুফল বিষয়েপুস্তিকা ও লিফলেট তৈরী ও বিতরণ, সচেতনতা সুষ্টি, ধুমপান নিরুৎসায়িত করণ, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ,প্রজনন স্বাস্থ্য  এবং নারী অধিকার সংরক্ষণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা,প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায়ধর্মীয় নেতার মাধ্যমে জনগনকে অবহিত করা এবং  স্থানীয় প্রশাসন ও সরকারকর্তৃক দেয় দায়িত্ব তাৎক্ষণিকভাবে বাস্তবায়ন ও সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে।

ছবি নাম মোবাইল
মোঃসিরাজুল ইসলাম 01918578384

ছবি নাম মোবাইল
ইয়াহিয়া আহমদ চৌধুরী 01911931132

1। মসজিদভিত্তিকশিশু ও গণশিক্ষা  কার্যক্রমঃএ প্রকল্পটি ফাউন্ডেশনের একটি বৃহৎ প্রকল্প এবং শিক্ষা সম্প্রসারনে এ প্রকল্পটির ব্যাপক জন চাহিদা রয়েছে।মসজিদকে সমাজ বিনির্মানের প্রাথমিক ও কার্যকরী ইউনিট হিসাবে সত্যিকারভাবে প্রতিষ্ঠিত এবং মসজিদের ইমাম সাহেবদের সেই মহতী বির্নিমানের গর্বিত অংশীদার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে সরকার ১৯৯৩ সালে শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা প্রকল্পের কার্যক্রম শুরুহয়। কার্যক্রমের ব্যাপক সাফল্যের  প্রেক্ষিতে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পের ধারাবাহিকতায় অত্র জেলার ০৭টি উপজেলায় কার্যক্রমযথারীত চালু রয়েছে্ । অত্র জেলায় ২৪৮টি প্রাক-প্রাথমিক,১২ বয়স্কশিক্ষাএবং১৪৯টি মসজিদে পবিত্র কুরআন শিক্ষা কেন্দ্র এবং ০৭টি মডেল রিসোর্সসেন্টার কাম উপজেলা সাব অফিস  ও ১৬ টি সাধারন রিসোর্স সেন্টার চালু রয়েছে্। শিক্ষা কেন্দ্রে শিক্ষার্থী উপস্থিতি ওঅগ্রগতি  সন্তোষজনক। শিক্ষা সমাপনী শিক্ষার্থীগণ আনুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রমে ভর্তি হয়েছে এবং ভর্তির হারপ্রায় ৯২%। এ কার্যক্রম চালুর ফলে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির হার বৃদ্ধি পেয়েছে এবং মান সম্মত ও গুনগত শিক্ষা নিশ্চিত হচ্ছে। শিক্ষার্থীগন প্রকল্প থেকে শিক্ষা উপকরণ ও সহায়ক উপকরণ (বইপুস্তক,চক,শ্লেট,ব্ল্যাক বোর্ড,সাইন বোর্ড, বসার মাদুর, ডাস্টার ইত্যাদি)বিনা মূল্যে পেয়ে থাকে। শিক্ষকগন মাসিক নির্ধারিত ১৮০০/- সাধারনকেয়ারটেকারগণ ২২০০/- ও মডেল কেয়ারটেকারগন ২৭০০/- টাকা সম্মানী ভাতা পেয়েথাকেন। কার্যক্রম নিবিড় পরিদর্শনের জন্য ফিল্ড অফিসার,ফিল্ড সুপারভাইজার ওকেয়ারটেকারগণ নিয়োজিত রয়েছেন।কার্যক্রম সুষ্ঠভাবে পরিচালনার লক্ষে উপজেলা এবং জেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং জেলা প্রশাসককে প্রধান করে উপজেলা এবং জেলা পর্যায়ে মনিটরিং কমিটি রয়েছে।

2  মসজিদপাঠাগার স্থাপন প্রকল্পঃ মসজিদে নববীর আলোকে বাংলাদেশের মসজিদসমূহকে গড়ে তোলার লক্ষে এবং মসজিদগুলোকে ইসলামিক জ্ঞান চর্চার ও প্রচারেরকেন্দ্র বিন্দু হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে ১৯৭৯-৮০ অর্থ বছর থেকে প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিবছর জেলার বিভিন্ন মসজিদে লক্ষ লক্ষ টাকার বই ও আসবাবপত্র বিনা মূল্যে পুস্তক ও আলমিরা সরবরাহ করা হয়ে থাকে। এ সকল পাঠাগার স্থাপনের ফলে জেলায় হাজার হাজার পাঠক সৃষ্টি হয়েছে ও সৎ মানুষ তৈরী হচ্ছে এবং নৈতিক শিক্ষারউন্নয়ন ঘটেছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটি রয়েছে।উপজেলা পর্যায়ে কর্মরত লাইব্রেরীয়ানগণ উপজেলায় স্থাপিত মসজিদ পাঠাগার সমূহ নিবিড় ভাবে পরিদর্শন করে থাকেন। জেলার যে কোন মসজিদ কর্তৃপক্ষ আগ্রহী হলে বিনামূল্যে নির্ধারিত ফরম পুরণ পূর্বক অত্র কার্যালয় থেকে পুস্তক সংগ্রহ করতে পারেন।

3মানব সম্পদ উন্নয়নে ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করণ প্রকল্পঃ ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতায়  এবং ইউ এন এফ পি এর অর্থায়নে পরিচালিত ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর মাধ্যমে বাস্তবায়নাধীন মানব সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে প্রজনন স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ,নিরাপদ মাতৃত্ব, আদর্শ পরিবার গঠন, পরিবার কল্যান,মাদকমুক্ত সমাজ গঠন,পরিবেশ দুষন,যৌতুক ও বাল্য বিবাহনিরুৎসাহিত করন, স্যানিটেশন, জনসংখ্যার বিস্ফোরন রোধ,নারী অধিকারসংরক্ষন,এইচ, আই,ভি,এইডস, ইভটিজিং ইত্যাদি বিষয়ে বিভিন্ন পেশাজীবি,ধর্মীয়  নেতৃবৃন্দ, কাজী  এবং মহিলাদের তিন-চার দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাকরা হয়ে থাকে।  এ প্রকল্প বাস্তবায়নে জনসংখ্যা বৃদ্ধি হার রোধ, নিরাপদ মাতৃত্ব, আদর্শ পরিবার গঠনে,ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতাবোধ জাগ্রত হচ্ছে এবং পরিকল্পিত পরিবার গঠনে তারা  উৎসাহিত হচ্ছেন এবং অন্যদেরকে এ বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করছেন।

4  ইমাম মুয়াজ্জিনকল্যান ট্রাষ্টঃ সরকার বাংলাদেশের সকল মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের কল্যানার্থে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ইমাম-মুয়াজ্জিন কল্যান ট্রাষ্ট আইন ২০০১ পাস করেছে। উক্ত ট্রাষ্টের আওতায় মৌলভীবাজার জেলার ইমাম ও মুয়াজ্জিনদেরকে ট্রাষ্টের আওতাভুক্তির লক্ষ্যে জেলায় ইমাম ও মুয়াজ্জিন কল্যান ট্রাষ্ট এর সদস্যভুক্তি কার্যক্রমসহ অন্যান্য কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। জেলারসম্মানিত সকল ইমাম- মুয়াজ্জিনগণকে ইসলামিক ফাউন্ডেশন মৌলভীবাজার জেলা কার্যালয়ে অথবা উপজেলা পর্যায়ের মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্পে নিয়োজিত ফিল্ড সুপারভাইজাদের সাথে অতিসত্বর যোগাযোগ করে মাসিকচাঁদা পরিশোধ পূর্বক সদস্য হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।

5জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস বাদ প্রতিরোধ প্রকল্পঃ জঙ্গিবাদও সন্ত্রাস বাদ দমনে একটি প্রকল্প গ্রহন করা হয়েছে । উক্ত প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি মসজিদে জুমার খুদবার আগে এলাকাবাসী / মুসল্লিদের সচেতন করার জন্য ইমামদের দ্বায়িত্ব প্রদান করা হয় । ইমামদের এই বিষয়ে প্রশিক্ষন প্রদান করাহয় । উক্ত কাজের প্রতিবেদন প্রতি মাসে ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রধান কার্যলয়ে , জেলা প্রশাসক মহোদয় ও গোয়েন্দা সংস্থাকে প্রদান করা হয় ।

6  নিজস্ব ভবন নির্মাণ প্রকল্পঃ ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষথেকে ইতোমধ্যে জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের জন্য স্থায়ী অফিস /ভবন নির্মাণ প্রকল্প গ্রহন করেছেন। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম  আজ দেশব্যাপী তৃণমূল পর্যায়ে বিস্তৃত। ইসলামিকফাউন্ডেশন মানুষের কল্যাণে কাজ করে থাকে। যার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কার্যক্রমের প্রশংসা আজ মানুষের মুখে মুখে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন মৌলভীবাজার অফিসের কার্যক্রম একটি ভাড়া বাড়ীতে পরিচালিত হয়ে আসছে।  প্রয়োজনের তুলনায় অফিস স্পেচের পরিমান খুবই নগন্য।বর্তমানে এ অফিসে উপ-পরিচালক,সহকারী পরিচালক,ফিল্ড অফিসার ,হিসাবক, ফিল্ড সুপারভাইজার ০৭জন , মাষ্টার ট্রেইনার,এল ডি এ (২জন),এম এলএস এস,  পদ রয়েছে। অত্র কার্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যে ধরনের অফিস প্রয়োজন তা পাওয়া দুস্কর। অন্য দিকে ভাড়ার বিষয়টিও জড়িত। অফিস ভাড়া খাতে প্রতিবছর অনেক টাকা পরিশোধ করতে হচ্ছে। অথচ দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করতেও অসুবিধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। অফিসের সাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ,প্রয়োজনীয় স্পেচ,মিলনায়তন,লাইব্রেরী কক্ষ,বিক্রয়কেন্দ্র,কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বসার ব্যবস্থা ও গোডাউন কক্ষসহ প্রায় ৬ হাজারবর্গফুট বিশিষ্ট একটি সুবিশাল বাড়ি প্রয়োজন।  ফলে জেলাপর্যায়ের সুবিধাজনক জায়গায় নিজস্ব ভবন নির্মাণের জন্য অকৃষি খাসজমি/পরিত্যাক্ত বাড়ী/গণপূর্ত বিভাগের অব্যহৃত জায়গা দীর্ঘ মেয়াদী বন্দোবসত্ম দেয়ার জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর মাননীয় মহাপরিচালক ও সরকারের অতিরিক্ত সচিব জনাব শামিম মোহাম্মদ আফজাল, মাননীয় মহাপরিচালক ও সরকারের অতিরিক্ত সচিব জনাব মোঃ ফজলুর রহমান  ও ইসলামিক ফাউন্ডেশন এর মাননীয় মহাপরিচালক ও সরকারের সাবেক সচিব জনাব আ জ ম শামসুলআলম । আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি বর্তমান জেলা প্রশাসকেরযোগ্য নেতৃত্বে অচিরেই  শহরের সুবিধাজনক স্থানে ৩০ শতক কৃষি/খাসজমি/পরিত্যাক্ত ভবন পাওয়া যাবে।

      উল্লেখ্য স্থানীয় প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় জমি সংগ্রহ পূর্বক ইমাম প্রশিক্ষন একাডেমীর জন্য৬তলা ও জেলা কার্যালয়ের জন্য ৪তলা বিশিষ্ট সুবিশাল নিজস্ব ভবন বিভিন্ন জেলায় নির্মিত হচ্ছে। আমরা আশা করি জেলা প্রশাসকের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় অচিরেই ইসলামিক ফাউন্ডেশন মৌলভীবাজার জেলা কার্যালয়ের  অনুকুলে  সরকারী খাসজমি/পরিত্যাক্ত ভবন বরাদ্দ পাওয়া যাবে ।

হাজী সিদ্দীক মেনশন,ঢাকা সিলেট রোড,কুসুমবাগ,মৌলভীবাজার।

ফোনঃ ০৮৬১৫৩২৮২

ফাক্সঃ ০৮৬১৫৩২৮২